Connect with us

Highlights

যেভাবে কন্টাক্ট নম্বর জিমেইলে সেভ করবেন

Published

on

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ফোন হারানো, চুরি হয়ে যাওয়া, নষ্ট হয়ে যাওয়া এসবই খুব স্বাভাবিক সমস্যা। তবে এইসব সমস্যার জন্য যেন আপনার প্রয়োজনীয় ডাটা, বিশেষ করে কন্টাক্ট নাম্বারগুলো হারিয়ে না যায়, সে ব্যাপারে কার্যকরী একটি পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ।

জি-মেইলের কন্টাক্ট ফিচারটির কল্যাণে আপনাকে ফোন নাম্বার হারানোর জন্য এখন আর দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। খুব সহজ কয়েকটা ধাপ অনুসরণ করে সে কন্টাক্ট নাম্বারগুলো হারানোর ভয় থেকে মুক্তি পেতে পারেন। সেভ করে রাখতে পারেন মোবাইলের সব কন্টাক্ট নাম্বারকে জি-মেইল বা গুগল অ্যাকাউন্টে।

মোবাইল থেকে জি-মেইলে কন্টাক্ট নাম্বার সেভ করা:

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন গুগলের একটি প্রোডাক্ট হওয়ায় এতে খুব সহজে গুগলের অন্যান্য সেবাগুলো নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই একদম ফোনের সেটিংস ব্যবহার করেও এই কন্টাক্ট জি-মেইলে সেভ করার কাজটি করা যায়। আবার গুগলের অফিশিয়াল কন্টাক্ট অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমেও করা যাবে। প্রথমে আমরা সেটিংস থেকে কিভাবে করব সেটা দেখি। তারপরে অ্যাপের ব্যাপারটি দেখব।

সেটিংস এর মাধ্যমে:

ফোনের সেটিং অপশনে যান।
তারপর Account and Sync >> Add account >> Google >> Next >> Sign in
এখন আপনার জি-মেইল আইডি ও পাসওয়ার্ড দিন। জি-মেইল আইডি না থাকলে “Create Account” অপশন থেকে নতুন আইডি খুলে ফেলুন।
এরপর, Sign in >> Sync Contacts >> Finish.
স্বয়ংক্রিয়ভাবে এখন আপনার সব কন্টাক্ট নাম্বার জি-মেইলে সেভ হতে থাকবে। হয়ে গেলে Contact লেখাটির নিচে দেখবেন, Last Synced: এর পর সময় লেখা আছে।

অ্যাপের মাধ্যমে:

প্রথমে, স্মার্টফোন দিয়ে টিভি, এসি কন্ট্রোল করা থেকে শুরু করে নানা ধরণের কাজ করার জন্যেই রয়েছে অ্যাপ। একইভাবে মোবাইল থেকে জি-মেইলে সহজভাবে কন্টাক্ট সেভ করার জন্যেও রয়েছে দারুণ একটি অ্যাপ। আপনার মোবাইল থেকে সব কন্টাক্ট নাম্বার Storage বা মেমরি কার্ড/ফোন মেমরিতে এক্সপোর্ট করে নিন।

Contact >> Menu >> Export/Import >> Export to storage.
তারপর প্লে স্টোর থেকে “Google Contact” অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
এখন আপনার করা এক্সপোর্টেড ফাইলটি Google Contact এ ইমপোর্ট করুন।
ডাটা কানেকশন বা ওয়াইফাই অন করে কিছুক্ষণ রাখুন। নিচের দিকে একবার সোয়াইপ করুন, ওয়েটিং সার্কেলটি ঘোরা বন্ধ হয়ে গেলেই বুঝবেন কন্টাক্ট নাম্বার সব জি-মেইলে সেভ হয়ে গেছে। এখন থেকে এটিকেই কন্টাক্ট হিসেবে ব্যবহার করুন। নতুন নাম্বার এখানে সেভ করুন। তাহলে সেটিও ডাটা কানেকশন পাওয়া মাত্রই জি-মেইলে সেভ হয়ে থাকবে।

কম্পিউটার থেকে জি-মেইলে কন্টাক্ট নাম্বার সেভ করা:

যদি আপনি আপনার মোবাইল ফোনে জি-মেইল লগ ইন করতে না চান, সেক্ষেত্রে কম্পিউটারের সাহায্যেও আপনার মোবাইলের কন্টাক্টগুলো জি-মেইলে সেভ করে রাখতে পারবেন। সেক্ষেত্রেও আগের মতো করেই প্রথমে ফোনের কন্টাক্ট নাম্বারগুলো Export করে নিতে হবে।

তারপর এই এক্সপোর্ট করা vcf ফাইলটি কম্পিউটারে পার করে নিন।
এবার ব্রাউজার থেকে জি-মেইলে লগ ইন করুন।
তারপর Google Contact এ চলে যান।
এখন Menu >> More >> Import >> CSV or vCard file >> Select file.
কম্পিউটারে রাখা vcf ফাইলটি সিলেক্ট করে দিন।
ব্যাস! সব ফোনের সব কন্টাক্ট এখন সুন্দরভাবে আপনার চোখের সামনে চলে এসেছে!! এখান থেকেও নতুন নাম্বার যোগ এবং কন্টাক্ট এডিট করতে পারবেন।

গুগল কন্টাক্ট ব্যবহার বা জি-মেইলে কন্টাক্ট ব্যাকআপ রাখার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, হারানোর ভয় নেই। সেই সাথে যে কোন জায়গায়, যে কোন সময় ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাব এরকম যে কোন ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস! সেই সাথে সাধারণ নাম, ফোন নাম্বার বা ইমেইলের পাশাপাশি ছবি সহ বিভিন্ন তথ্য যুক্ত করে রাখার ব্যবস্থাটিও অনবদ্য।

কন্টাক্ট নাম্বারে এসব তথ্য যুক্ত করে রিমাইন্ডার, বিভিন্ন শেয়ারিং এসবের দারুণ সব সেবা নিতে পারেন গুগল থেকে। ব্যাকআপ রাখার পাশাপাশি নতুন কোন মোবাইল ফোনে জি-মেইল আইডিটি লগ ইন করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কন্টাক্ট রিস্টোর হয়ে যাবে।

অ্যাপ বা ওয়েবের গুগল কন্টাক্ট থেকে ম্যানুয়ালি এক্সপোর্টও করা যাবে যেকোন সময়। আর হ্যাঁ, ব্র‍্যান্ড ও অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ভেদে ফোনের সেটিংস এর নামগুলোর একটু তারতম্য হতে পারে। তাই কোন পয়েন্টে বুঝতে না পারলে নির্দ্বিধায় কমেন্টে প্রশ্ন করবেন।

পরিশেষে একটুখানি সতর্কবাণী। আপনার কন্টাক্ট এ থাকা নাম্বার এবং অন্যান্য তথ্য আপনার একান্তই নিজস্ব। ফোন যেরকম হাতছাড়া করেন না, একে নিরাপত্তা প্রদান করেন। জি-মেইলে যখন কন্টাক্ট নাম্বারের মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস রাখবেন তখন এই অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেও সেরকম করতে হবে। জি-মেইলে কন্টাক্ট নাম্বার সেভ করে রাখলে সেটির পাসওয়ার্ড যেন অন্যকারো হাতে না যায়, সেটি অবশ্যই নিশ্চিত করে নিবেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঠেকাতে করণীয়

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
তীব্র গরমে মানুষের যেমন ভোগান্তিতে থাকে ঝামেলা হতে পারে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসেও। ডিভাইস গরম হয়র যায়, অফ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণের ঘটনা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তীব্র গরমে ঘরের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ঠান্ডা রাখবেন-
যে কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে গরম হয়ে যেতে পারে। তাই ব্যবহারের মাঝে কিছু সময় বিরতি দিন। ডিভাইস স্বাভাবিকের থেকে বেশি গরম হচ্ছে, তখনই ওই ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ করুন। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন সেট, ফ্রিজ, এসি, ফ্যান যে ডিভাইসই হোক না কেন বিরতি দিয়ে ব্যবহার করুন।

যেসব ডিভাইস প্লাগের সাহায্যে চালু রয়েছে, সেগুলো প্লাস থেকে খুলে নিন। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হবে ওই ডিভাইসে। এর পাশাপাশি সুইচের সাহায্যে যেসব ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করা সম্ভব, সেগুলোকে সুইচ অফ করে বন্ধ করুন। স্মার্টফোন গরম হতে থাকলে স্ক্রিন ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন। ফোন রাখুন এয়ারপ্লেন মোডে। এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপে কাজ বন্ধ রাখা প্রয়োজন। যে ডিভাইস গরম হয়ে যাচ্ছে সেটিকে এমন একটি পরিবেশে রাখুন যেটি তুলনামূলক ঠান্ডা।

অর্থাৎ তাপমাত্রা কম। ল্যাপটপ কিংবা ফোনে কভার থাকলে সেটা খুলে নিন। তার ফলে ডিভাইস গরম থাকলে তাপ নির্গত হবে সহজে। এসি ঘরে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারলে ভালো। ফোন বা ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না। ফোন চার্জে দিয়ে গেম খেললে বা স্ক্রল করলে ফোন দ্রুত গরম হতে পারে। এমনকি এ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে পারে।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ফ্যান যুক্ত কুলিং প্যাড ব্যবহার করুন। এই কুলিং প্যাডের উপর ল্যাপটপ রেখে ব্যবহার করতে পারলে ভালো। তাহলে মেশিন গরম হয়ে গেলেও নীচের কুলিং প্যাডে থাকা ফ্যানের সাহায্যে ডিভাইসের তাপ কমানো যাবে। বাড়িতে টিভি এবং গেমিং কনসোল থাকলে তার আশপাশে ফ্যান রাখুন। ফ্যানের হাওয়াতেও এইসব ডিভাইস অনেকটা ঠান্ডা থাকবে।

Continue Reading

Highlights

জেনে নিন ফেসবুক নাকি ইউটিউবে আয় বেশি?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেইসঙ্গে অনেকের কাছেই এটি অর্থ আয়ের একটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখন পেশাদারিভাবে ইউটিউব ও ফেসবুকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন। কোনো কোনো কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা উপার্জন করছেন।

মূলত মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ও ইউটিউব দুই জায়গা থেকেই ভালো টাকা আয় করা যায়। তবুও ক্রিয়েটরদের মধ্যে কেউ ফেসবুক, আবার কেউ ইউটিউবকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের থেকে বেশি পুরোনো ইউটিউব। এছাড়াও এখানে নানা বিষয়ের কনটেন্ট আপলোড হয়। যা নজর কাড়ে মানুষের। অন্যদিকে ইউটিউবে ভøগিং চ্যানেলের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কোন জায়গা থেকে সব থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় জানেন? ইউটিউব না ফেসবুক কে বেশি টাকা দেয়? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ ভিউয়ে ফেসবুকে ২৫০ থেকে ২৬০ ডলার আয় হয়ে থাকে। যেখানে ইউটিউবে ভিডিও অনুুযায়ী ২০০০ ডলারের বেশিও আয় করা যায়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইউটিউব এগিয়ে রয়েছে।

ফেসবুকে একাধিক মনিটাইজেশন টুল রয়েছে। যেমন- স্টার্স, ইন-ভিডিও পারচেস, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ইত্যাদি। অন্যদিকে ইউটিউবেও রয়েছে অসংখ্য মনিটাইজেশন টুল। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অধীনে একাধিক উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায়। যেমন – ইন-স্ট্রিম অ্যাড, স্পন্সরশিপ, সুপার চ্যাট ডোনেশন এবং চ্যানেল মেম্বারশিপ।

এক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব। কারণ ইউটিউবে এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইউটিউবে ডাটা ইউসেজও অনেক বেশি। প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ এমবি। যে কারণে ফেসবুকের থেকে মনিটাইজেসনের বিচারে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব।

Continue Reading

Highlights

রিয়েলফিল ক্যামেরা ফিচারের পরিধি বাড়াবে গুগল

Published

on

google

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) নতুন ফটোগ্রাফি ফিচার চালু করতে কাজ করছে গুগল। নতুন এ ফিচার বা প্রযুক্তির উন্নয়নে কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছে কোম্পানিটি। এটি ব্যবহারকারীদের ছবির রেজল্যুশন বাড়ানোর পাশাপাশি এডিটিংয়ে সহায়তা করবে। খবর গিজচায়না।

পাঁচটি রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে গুগলের নতুন ফিচারটি কাজ করবে বলে জানা গেছে। অফিশিয়াল বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, রিয়েলফিল ডাউনলোড করা যাবে না-এমন এআই সফটওয়্যারে আঁকা ছবি নিয়ে কাজের সুবিধা দেবে। এ ছাড়া অনলাইনেও অনুরূপ সুবিধা থাকবে, যেটি ব্যবহার করে জেনারেটিভ মডেল তৈরি করা যাবে। মূলত ফিচারটি ব্যবহারকারীদের যেকোনো ছবি সহজে সম্পাদনার সুযোগ দেবে।

একটি গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে রিয়েলফিলের এ প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছে। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম রেফারেন্স ড্রাইভেন জেনারেশন ফর অথেনটিক ইমেজ কমপ্লিশন। এখানে একাধিক রেফারেন্স থেকে কীভাবে মূল ছবি এডিট করা হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে। গুগলের দাবি রেফারেন্সে থাকা ছবি ব্যবহার করে ফিচারটি অন্য অ্যাপের তুলনায় ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

প্রযুক্তিবিদদের মতে, এআইনির্ভর ফটোগ্রাফি টুল হিসেবে রিয়েলফিল আকর্ষণীয় হলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত বেশকিছু ইমেজ জেনারেশন মডেলের তুলনায় এটি ধীরগতির। পিক্সেল স্মার্টফোন লাইনআপে নাইট সাইট মোডের মতো অ্যাডভান্সড কম্পিউট্যাশনাল ফটোগ্রাফি ফিচার যুক্ত করেছে গুগল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবিষ্যতে পিক্সেল ডিভাইস বা গুগল ফটোজ অ্যাপে চারটি যুক্ত করা হবে। যদি এটি যুক্ত হয় তখন ব্যবহারকারীরা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় সহজে ছবি সম্পাদনা করতে পারবেন।

Continue Reading

Trending