Connect with us

Highlights

বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসছে অডিও মাধ্যমে

Published

on

নিউজ ডেস্ক:
সম্প্রতি একটি অডিও সেবা সার্ভিস মূলধন ছাড়াই প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি আয় করেছে। এদিকে ফেসবুক সোস্যাল অডিও এক্সপেরিয়েন্স নামে একটি সেবা চালু করতে যাচ্ছে, যেখানে টুইটারের নতুন সেবা স্পেসেস ব্যবহারকারীদের তাত্ক্ষণিক চ্যাটরুম খোলার সুযোগ করে দিচ্ছে। তবে কি বিশ্বের অডিও যোগাযোগ ও ব্যবহার মাধ্যমে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হতে যাচ্ছে?

ক্লাবহাউজ আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো কিছু হারানোর ভয়ে নিমজ্জিত। তারা দেখতে পায় এ প্লাটফর্মে ব্যবহারকারীদের সহজেই তাদের পছন্দের যেকোনো বিষয় নিয়ে অডিও চ্যাটরুম তৈরি করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। যার জন্য বড় পরিসরে উদ্যমী ব্যবহারকারী প্রয়োজন।

এরপর কোনো প্রতিষ্ঠানের বাজারে নামার ক্ষেত্রে প্রধান বিষয় হলো তার পুঁজি। চলতি সপ্তাহে রিটজি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম অ্যান্ড্রেসেন হরোউইটজের প্রতিবেদন অনুযায়ী ক্লাবহাউজের বাজারমূল্য ৪০০ কোটি ডলার। কিন্তু বর্তমানে শুধু আইফোন ইউজাররাই এ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে এত জনপ্রিয়তার পেছনের কারণ কী?

র্যাচেল ল্যানকেস্টার নামের একজন ব্যবহারকারী এ অ্যাপে তার আসক্তির কারণ জানান। তিনি বলেন, আমি এ অ্যাপের মাধ্যমে এমন কিছু প্রবেশাধিকার ও সুবিধা পেয়েছি, যা সাধারণত পাওয়া খুব কঠিন। আমি এ অ্যাপে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মহিলাদের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পেরেছি। ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপগুলোতে আপনার বাহ্যিক রূপ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখানে আমি অডিওর মাধ্যমে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত পেয়েছি।

পেশায় র্যাচেল একজন রেডিও ব্রডকাস্টার। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার একজন মহিলা আমার অনুষ্ঠানের অতিথির সঙ্গে কথা বলার জন্য ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠেছিলেন। যেটা আমার কাছে খুবই মজার ও আকর্ষণীয় লেগেছে।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়ক পরামর্শক ম্যাট নাভারা একটি তত্ত্ব দিয়েছেন। করোনা মহামারীর কারণে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ গৃহবন্দি। এ অবস্থায় বিনোদনের মাধ্যম খুঁজতে ব্যস্ত ছিল মানুষ। এ সময় ক্লাবহাউজ তাদের ভালো সহযোগিতা করেছে।

তিনি বলেন, আমরা এমন কিছু চেয়েছিলাম যেটা নতুন ও মজাদার। আর এ অডিও মাধ্যম আমাদের সেটিই এনে দিয়েছে। ব্যবহারকারীদের জন্য এটি নতুন একটি অভিজ্ঞতা।

ক্লাবহাউজের জনপ্রিয়তার ব্যাপারে ফেসবুক এবং টুইটারের আগ্রহ দেখে ম্যাট বলেন, আমরা ধারণা করছি অডিও মাধ্যমের এ পরিবর্তন এ দুটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারকারীদের ওপরও প্রভাব ফেলবে।

উদাহরণস্বরূপ তিনি ২০১৫ সালে বাজারে আসা ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ মিরক্যাটের কথা বলেন। এক ব্লগপোস্টের তথ্যানুযায়ী এ অ্যাপ প্রযুক্তি বিশ্বে সাময়িক সময়ের জন্য ঝড় সৃষ্টি করেছিল।

নাভারা বলেন, আমরা ভেবেছিলাম এটা অন্যরকম কিছু হবে। কিন্তু একটা সময়ে এসে আমরা বুঝতে পারলাম যে লাইভে সবাই সেরকম মজাদার কোনো কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন না।

তাই ক্লাবহাউজের জনপ্রিয়তার সঙ্গে লড়াই করতে হলে এর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ বিষয় মাথায় রাখতে হবে। কারণ কিছু নির্ধারিত বিষয়ের বক্তব্য দিয়ে খুবই সামান্য মানুষকে আকৃষ্ট করা যাবে। বার বার দেখতে দেখতে একটা সময় তারা বিরক্ত হবে এবং অ্যাপের ব্যবহার বন্ধ করে দেবে।

লাইভ অডিও ডিসকাশনে মানুষের সে রকম আগ্রহ না থাকলেও রেকর্ডেড কনটেন্টগুলো আরো বেশি আকর্ষণীয় হতে পারে। পডকাস্টের জনপ্রিয়তা আমাদের সেটাই বলে। -বিবিসি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঠেকাতে করণীয়

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
তীব্র গরমে মানুষের যেমন ভোগান্তিতে থাকে ঝামেলা হতে পারে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসেও। ডিভাইস গরম হয়র যায়, অফ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণের ঘটনা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তীব্র গরমে ঘরের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ঠান্ডা রাখবেন-
যে কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে গরম হয়ে যেতে পারে। তাই ব্যবহারের মাঝে কিছু সময় বিরতি দিন। ডিভাইস স্বাভাবিকের থেকে বেশি গরম হচ্ছে, তখনই ওই ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ করুন। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন সেট, ফ্রিজ, এসি, ফ্যান যে ডিভাইসই হোক না কেন বিরতি দিয়ে ব্যবহার করুন।

যেসব ডিভাইস প্লাগের সাহায্যে চালু রয়েছে, সেগুলো প্লাস থেকে খুলে নিন। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হবে ওই ডিভাইসে। এর পাশাপাশি সুইচের সাহায্যে যেসব ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করা সম্ভব, সেগুলোকে সুইচ অফ করে বন্ধ করুন। স্মার্টফোন গরম হতে থাকলে স্ক্রিন ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন। ফোন রাখুন এয়ারপ্লেন মোডে। এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপে কাজ বন্ধ রাখা প্রয়োজন। যে ডিভাইস গরম হয়ে যাচ্ছে সেটিকে এমন একটি পরিবেশে রাখুন যেটি তুলনামূলক ঠান্ডা।

অর্থাৎ তাপমাত্রা কম। ল্যাপটপ কিংবা ফোনে কভার থাকলে সেটা খুলে নিন। তার ফলে ডিভাইস গরম থাকলে তাপ নির্গত হবে সহজে। এসি ঘরে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারলে ভালো। ফোন বা ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না। ফোন চার্জে দিয়ে গেম খেললে বা স্ক্রল করলে ফোন দ্রুত গরম হতে পারে। এমনকি এ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে পারে।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ফ্যান যুক্ত কুলিং প্যাড ব্যবহার করুন। এই কুলিং প্যাডের উপর ল্যাপটপ রেখে ব্যবহার করতে পারলে ভালো। তাহলে মেশিন গরম হয়ে গেলেও নীচের কুলিং প্যাডে থাকা ফ্যানের সাহায্যে ডিভাইসের তাপ কমানো যাবে। বাড়িতে টিভি এবং গেমিং কনসোল থাকলে তার আশপাশে ফ্যান রাখুন। ফ্যানের হাওয়াতেও এইসব ডিভাইস অনেকটা ঠান্ডা থাকবে।

Continue Reading

Highlights

জেনে নিন ফেসবুক নাকি ইউটিউবে আয় বেশি?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেইসঙ্গে অনেকের কাছেই এটি অর্থ আয়ের একটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখন পেশাদারিভাবে ইউটিউব ও ফেসবুকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন। কোনো কোনো কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা উপার্জন করছেন।

মূলত মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ও ইউটিউব দুই জায়গা থেকেই ভালো টাকা আয় করা যায়। তবুও ক্রিয়েটরদের মধ্যে কেউ ফেসবুক, আবার কেউ ইউটিউবকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের থেকে বেশি পুরোনো ইউটিউব। এছাড়াও এখানে নানা বিষয়ের কনটেন্ট আপলোড হয়। যা নজর কাড়ে মানুষের। অন্যদিকে ইউটিউবে ভøগিং চ্যানেলের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কোন জায়গা থেকে সব থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় জানেন? ইউটিউব না ফেসবুক কে বেশি টাকা দেয়? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ ভিউয়ে ফেসবুকে ২৫০ থেকে ২৬০ ডলার আয় হয়ে থাকে। যেখানে ইউটিউবে ভিডিও অনুুযায়ী ২০০০ ডলারের বেশিও আয় করা যায়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইউটিউব এগিয়ে রয়েছে।

ফেসবুকে একাধিক মনিটাইজেশন টুল রয়েছে। যেমন- স্টার্স, ইন-ভিডিও পারচেস, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ইত্যাদি। অন্যদিকে ইউটিউবেও রয়েছে অসংখ্য মনিটাইজেশন টুল। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অধীনে একাধিক উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায়। যেমন – ইন-স্ট্রিম অ্যাড, স্পন্সরশিপ, সুপার চ্যাট ডোনেশন এবং চ্যানেল মেম্বারশিপ।

এক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব। কারণ ইউটিউবে এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইউটিউবে ডাটা ইউসেজও অনেক বেশি। প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ এমবি। যে কারণে ফেসবুকের থেকে মনিটাইজেসনের বিচারে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব।

Continue Reading

Highlights

রিয়েলফিল ক্যামেরা ফিচারের পরিধি বাড়াবে গুগল

Published

on

google

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) নতুন ফটোগ্রাফি ফিচার চালু করতে কাজ করছে গুগল। নতুন এ ফিচার বা প্রযুক্তির উন্নয়নে কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছে কোম্পানিটি। এটি ব্যবহারকারীদের ছবির রেজল্যুশন বাড়ানোর পাশাপাশি এডিটিংয়ে সহায়তা করবে। খবর গিজচায়না।

পাঁচটি রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে গুগলের নতুন ফিচারটি কাজ করবে বলে জানা গেছে। অফিশিয়াল বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, রিয়েলফিল ডাউনলোড করা যাবে না-এমন এআই সফটওয়্যারে আঁকা ছবি নিয়ে কাজের সুবিধা দেবে। এ ছাড়া অনলাইনেও অনুরূপ সুবিধা থাকবে, যেটি ব্যবহার করে জেনারেটিভ মডেল তৈরি করা যাবে। মূলত ফিচারটি ব্যবহারকারীদের যেকোনো ছবি সহজে সম্পাদনার সুযোগ দেবে।

একটি গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে রিয়েলফিলের এ প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছে। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম রেফারেন্স ড্রাইভেন জেনারেশন ফর অথেনটিক ইমেজ কমপ্লিশন। এখানে একাধিক রেফারেন্স থেকে কীভাবে মূল ছবি এডিট করা হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে। গুগলের দাবি রেফারেন্সে থাকা ছবি ব্যবহার করে ফিচারটি অন্য অ্যাপের তুলনায় ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

প্রযুক্তিবিদদের মতে, এআইনির্ভর ফটোগ্রাফি টুল হিসেবে রিয়েলফিল আকর্ষণীয় হলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত বেশকিছু ইমেজ জেনারেশন মডেলের তুলনায় এটি ধীরগতির। পিক্সেল স্মার্টফোন লাইনআপে নাইট সাইট মোডের মতো অ্যাডভান্সড কম্পিউট্যাশনাল ফটোগ্রাফি ফিচার যুক্ত করেছে গুগল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবিষ্যতে পিক্সেল ডিভাইস বা গুগল ফটোজ অ্যাপে চারটি যুক্ত করা হবে। যদি এটি যুক্ত হয় তখন ব্যবহারকারীরা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় সহজে ছবি সম্পাদনা করতে পারবেন।

Continue Reading

Trending