Connect with us

Social Media

হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হল নতুন ফিচার

Published

on

whatsapp

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
ব্যক্তিগত যোগাযোগ কিংবা অফিসের ফাইল আদান-প্রদানে হোয়াটসঅ্যাপ এখন বেশ নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। এখন শুধু কল করা বা মেসেজ আদান-প্রদানেই সীমাবদ্ধ নেই এই অ্যাপ। মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটি নিজেদের জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করছে, যা ব্যবহারকারীদের আরো বেশি আকর্ষণীয় করে তুলছে। সম্প্রতি বেশ কিছু নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপে। আরো কিছু সুবিধা যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়। সব মিলিয়ে ২০২৪ সালের প্রথমার্ধ বেশ আলোচনায় মেটার এই জনপ্রিয় অ্যাপ। তেমন কিছু ফিচার নিয়ে আলোচনা করা যাক-

মনের মতো সাজানো যাবে অ্যাকাউন্ট
নিজের ইচ্ছামতো আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট সাজানোর সুযোগ এসেছে। হোয়াটসঅ্যাপে সাধারণভাবে ডিফল্ট চ্যাট থিমের রং থাকে সবুজ, হোয়াটসঅ্যাপের লোগোর মতোই রঙের। তবে এই রং যাদের অপছন্দ তারা এবার থেকে চাইলে রং বদলাতে পারেন। আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন ফিচার্স নিয়ে আসছে মেটা। এরইমধ্যে এই হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট থিমের রং বদলানর জন্য আইওএস সংস্করণের পরীক্ষা পদ্ধতি শুরু হয়ে গেছে।

সব নম্বরে কল করার সুবিধা
হোয়াটসঅ্যাপে যোগ হচ্ছে ডায়ালার ফিচার। ফিচারটি চালু হলে ব্যবহারকারীরা বেশ কম খরচেই অপরিচিত নম্বরে সাধারণ কল করতে পারবেন। এমনকি নম্বর সেভ না করেই কল করা যাবে। আপাতত অ্যান্ড্রয়েড বিটা ভার্সন ২.২৪.৯.২৮-এ এই ফিচারটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। খুব শিগগিরই সাধারণ ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টে পাওয়া যাবে এই ফিচার।

একই অ্যাপে দু’টি অ্যাকাউন্ট
অনেকে একই মোবাইলে দুইটি সিম ব্যবহার করেন কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপে একটি নম্বর যুক্ত করেন। নিয়ম মেনে একই অ্যাপে দুইটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। এর জন্য প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের সেটিং মেনুতে যেতে হবে। এবার আপনার প্রোফাইল নামের পাশে ড্রপ ডাউন তিরটিতে ক্লিক করুন। এর পরে আরেকটি মোবাইল নম্বর যোগ করার অপশন আসবে, যেখানে যুক্ত করে নিন। এভাবে একটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যাবে।

স্ক্রিন শেয়ারিং ফিচার
মাইক্রোসফট টিমস, গুগল মিটের মতো ভিডিও কলিং প্ল্যাটফর্মগুলোর মতো স্ক্রিন শেয়ারিং ফিচার আনল হোয়াটসঅ্যাপ। ব্যবহারকারীরা কল চলাকালীন এক বা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সহজেই লাইভ ভিউ শেয়ার করতে পারবেন। মোবাইল ফোনে কাউকে ভিডিও কল করলে ডিসপ্লের নিচে স্ক্রিন শেয়ারিং আইকন আসবে। সেই আইকনে ক্লিক করলেই একটা উইন্ডো পপআপ হবে। জানতে চাইবে, ইউজার স্ক্রিন শেয়ার করতে চান কি-না। এটা নিশ্চিত করলে শুরু হবে কাউন্টডাউন। এরপর স্টপ শেয়ারিং অপশনে ক্লিক করলেই স্ক্রিন শেয়ার বন্ধ হয়ে যাবে। শুধু স্মার্টফোনেই নয়, ডেস্কটপেও এই ফিচার ব্যবহার করা যাবে।

স্ট্যাটাসে দীর্ঘ অডিও বার্তা
হোয়াটসঅ্যাপে এর আগেও স্ট্যাটাসে অডিওবার্তা দেওয়া যেত। কিন্তু সেক্ষেত্রে সময়সীমা ছিল ৩০ সেকেন্ড। এবার থেকে স্ট্যাটাসে এক মিনিটের অডিও ক্লিপ দিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। সম্প্রতি ডব্লিউএবেটাইনফো একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেছে। সেটা অনুযায়ী স্ট্যাটাসে গিয়ে মাইক্রোফোন বাটনে ক্লিক করে অডিও রেকর্ড করতে পারবেন। সেখানেই অডিওটি স্ট্যাটাসে দেবার অপশন মিলবে।

ইন্টারনেট ছাড়াই মেসেজ
ইন্টারনেট ছাড়াই ব্যবহার করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপ। যেখানে ইন্টারনেট নেই, সেখানেই হোয়াটসঅ্যাপের প্রক্সি সার্ভারকে কাজে লাগিয়ে আপনি মেসেজ করতে পারবেন। ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটি জানিয়েছে, যেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা নেই সেখানে ভলান্টিয়ার এবং অর্গানাইজেশনের দ্বারা সেটআপ করা প্রক্সি সার্ভারের মাধ্যমেই কাজ করবে হোয়াটসঅ্যাপ।

চ্যাট ফিল্টার সুবিধা
হোয়াটসঅ্যাপে এখন পাওয়া যাবে চ্যাট ফিল্টারের সুবিধা। এর ফলে হোয়াটসঅ্যাপে যেকোনো মেসেজ খুঁজে পেতে সহজ হবে। হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট ফিল্টারে রয়েছে তিনটি বিভাগ। অল, গ্রুপ এবং আনরেড। অল-এর মধ্যে থাকবে সমস্ত মেসেজ। আনরেড-এখানে থাকবে আপনার না পড়া সমস্ত মেসেজ। আর গ্রুপ-এর ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের বিভিন্ন গ্রুপে আসা মেসেজগুলো থাকবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Entrepreneur

ইউটিউবের হঠাৎ করে আয় কমে যাওয়ার কারণ কী?

Published

on

ইউটিউবের হঠাৎ করে আয় কমে যাওয়ার কারণ বিভিন্ন হতে পারে। নির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণের জন্য একাধিক দিক বিশ্লেষণ করা অপরিহার্য। YouTube-এ বিজ্ঞাপনের আয়ের ওঠানামার কিছু সাধারণ কারণ হল-

ডিমনিটাইজেশন: YouTube-এর সম্প্রদায় নির্দেশিকা, পরিষেবার শর্তাবলী, বা বিজ্ঞাপন নীতিগুলি লঙ্ঘন করে এমন ভিডিওগুলি demonetized বা সীমিত নগদীকরণ হতে পারে৷ এর ফলে প্রভাবিত ভিডিও বা চ্যানেলের বিজ্ঞাপনের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।

বিষয়বস্তু পরিবর্তন: আপনার বিষয়বস্তুর ধরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলে, এটি বিজ্ঞাপনের প্রাসঙ্গিকতা এবং দর্শকদের অংশগ্রহণকে প্রভাবিত করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতারা নির্দিষ্ট জনসংখ্যা বা বিষয়বস্তু বিভাগকে লক্ষ্য করতে পারে এবং আপনার বিষয়বস্তুর পরিবর্তনগুলি বিজ্ঞাপন বসানোকে প্রভাবিত করতে পারে।

ভিউয়ার এনগেজমেন্ট: ভিউয়ার এনগেজমেন্টের ওঠানামা, যেমন ভিউ, দেখার সময় বা ক্লিক-থ্রু রেট কমে যাওয়া, বিজ্ঞাপনের আয়কে প্রভাবিত করতে পারে। উচ্চ ব্যস্ততা আরও বিজ্ঞাপনদাতাদের আকর্ষণ করে।

বাজারের চাহিদা: বিজ্ঞাপনের আয় বাজারের চাহিদা এবং বিজ্ঞাপনদাতার বাজেট দ্বারা প্রভাবিত হয়। অর্থনৈতিক অবস্থা, মৌসুমী প্রবণতা, বা শিল্প-নির্দিষ্ট কারণগুলি বিজ্ঞাপনের সামগ্রিক চাহিদাকে প্রভাবিত করতে পারে, রাজস্বকে প্রভাবিত করে।

বিজ্ঞাপনদাতা কৌশল পরিবর্তন: বিজ্ঞাপনদাতারা তাদের কৌশল, বাজেট, বা লক্ষ্য পছন্দ সমন্বয় করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতার আচরণে পরিবর্তন প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপনের ইনভেন্টরির প্রাপ্যতা এবং মানকে প্রভাবিত করতে পারে।

অ্যালগরিদম পরিবর্তন: YouTube প্রায়ই বিষয়বস্তু সুপারিশ এবং বিজ্ঞাপন প্লেসমেন্টের জন্য তার অ্যালগরিদম আপডেট করে। অ্যালগরিদম পরিবর্তনগুলি বিজ্ঞাপনের দৃশ্যমানতা এবং কর্মক্ষমতা প্রভাবিত করতে পারে, রাজস্ব প্রভাবিত করে।

অ্যাড ব্লকার: যে ব্যবহারকারীরা অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করেন তারা বিজ্ঞাপন প্রদর্শন রোধ করে বিজ্ঞাপনের আয়কে প্রভাবিত করতে পারেন। বিজ্ঞাপনদাতারা এমন ইম্প্রেশনের জন্য অর্থ প্রদান করতে কম ইচ্ছুক হতে পারে যা দর্শকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দ্বারা দেখা যায় না।

বাজার প্রতিযোগিতা: বিজ্ঞাপন স্থানের জন্য সামগ্রী নির্মাতাদের মধ্যে বর্ধিত প্রতিযোগিতা বিজ্ঞাপনের হারকে প্রভাবিত করতে পারে। উচ্চ প্রতিযোগীতামূলক কুলুঙ্গিতে থাকা চ্যানেলগুলি আয়ের ওঠানামা অনুভব করতে পারে।

বিজ্ঞাপনের গুণমান: বিজ্ঞাপনদাতারা তাদের বিজ্ঞাপনের গুণমান, প্রাসঙ্গিকতা বা লক্ষ্যমাত্রা পরিবর্তন করতে পারে। উচ্চ-মানের, লক্ষ্যযুক্ত বিজ্ঞাপনগুলি দর্শকদের আকৃষ্ট করার এবং রাজস্ব উৎপন্ন করার সম্ভাবনা বেশি।

বৈশ্বিক ঘটনা বা সংকট: বাহ্যিক কারণ, যেমন বৈশ্বিক ঘটনা বা অর্থনৈতিক সংকট, বিজ্ঞাপনের বাজেট এবং বাজারের গতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতারা অনিশ্চয়তার সময় ব্যয় সামঞ্জস্য করতে পারে।

দর্শকের ভূগোল: আপনার দর্শকদের ভৌগলিক অবস্থান বিজ্ঞাপনের হারকে প্রভাবিত করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতারা অঞ্চলের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন হার দিতে পারে এবং দর্শক জনসংখ্যার পরিবর্তন রাজস্বকে প্রভাবিত করতে পারে।

আপনি যদি YouTube বিজ্ঞাপনের আয়ে হঠাৎ করে হ্রাস লক্ষ্য করেন, তাহলে উপরে উল্লিখিত কারণগুলি তদন্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। দর্শকদের আচরণে পরিবর্তনগুলি বুঝতে, সামগ্রীর কার্যকারিতা নিরীক্ষণ করতে এবং বিজ্ঞাপন নগদীকরণের স্থিতি বা নীতি লঙ্ঘন সম্পর্কিত যে কোনও বিজ্ঞপ্তি পর্যালোচনা করতে YouTube Analytics ব্যবহার করুন।

Continue Reading

Highlights

জেনে নিন ফেসবুক নাকি ইউটিউবে আয় বেশি?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেইসঙ্গে অনেকের কাছেই এটি অর্থ আয়ের একটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখন পেশাদারিভাবে ইউটিউব ও ফেসবুকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন। কোনো কোনো কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা উপার্জন করছেন।

মূলত মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ও ইউটিউব দুই জায়গা থেকেই ভালো টাকা আয় করা যায়। তবুও ক্রিয়েটরদের মধ্যে কেউ ফেসবুক, আবার কেউ ইউটিউবকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের থেকে বেশি পুরোনো ইউটিউব। এছাড়াও এখানে নানা বিষয়ের কনটেন্ট আপলোড হয়। যা নজর কাড়ে মানুষের। অন্যদিকে ইউটিউবে ভøগিং চ্যানেলের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কোন জায়গা থেকে সব থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় জানেন? ইউটিউব না ফেসবুক কে বেশি টাকা দেয়? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ ভিউয়ে ফেসবুকে ২৫০ থেকে ২৬০ ডলার আয় হয়ে থাকে। যেখানে ইউটিউবে ভিডিও অনুুযায়ী ২০০০ ডলারের বেশিও আয় করা যায়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইউটিউব এগিয়ে রয়েছে।

ফেসবুকে একাধিক মনিটাইজেশন টুল রয়েছে। যেমন- স্টার্স, ইন-ভিডিও পারচেস, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ইত্যাদি। অন্যদিকে ইউটিউবেও রয়েছে অসংখ্য মনিটাইজেশন টুল। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অধীনে একাধিক উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায়। যেমন – ইন-স্ট্রিম অ্যাড, স্পন্সরশিপ, সুপার চ্যাট ডোনেশন এবং চ্যানেল মেম্বারশিপ।

এক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব। কারণ ইউটিউবে এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইউটিউবে ডাটা ইউসেজও অনেক বেশি। প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ এমবি। যে কারণে ফেসবুকের থেকে মনিটাইজেসনের বিচারে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব।

Continue Reading

Highlights

যেভাবে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট নিরাপদ রাখবেন

Published

on

whatsapp

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। দিন দিন বাড়ছে এর ব্যবহার। তবে হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট এবং ছবি ও ফাইল কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন তা জানেন না অনেকেই। এর ফলে সাইবার অপরাধীদের ব্ল্যাকমেইলিং, ফিশিং ও বিভিন্ন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন কেউ কেউ। তবে কয়েকটি নিরাপত্তা ফিচার ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ: হোয়াটসঅ্যাপে ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ অপশন রয়েছে। যদি মনে হয় আপনার হোয়াটসঅ্যাপের ওপর কেউ নজরদারি চালাচ্ছে তা হলে এই অপশন অন করে দিন। এই অপশন চালু থাকলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর মেসেজ ডিসঅ্যাপিয়ার বা মুছে যাবে।

অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন: হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট নিরাপত্তার দ্বিতীয় টিপস হলো অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন। সমস্ত চ্যাটে এই ফিচার অন করে রাখুন। এর সুবিধা হলো আপনি যাকে টেক্সট পাঠাচ্ছেন তিনি আর আপনি ছাড়া অন্য কেউ মেসেজ দেখতে পাবে না। অবৈধভাবে ঢুকে কেউ কোনো তথ্য দেখতে বা অ্যাকসেস করতে পারবে না। তাই ফাঁস হওয়ার ঝুঁকিও থাকবে না।

স্প্যাম কল বন্ধ করা: স্প্যাম কলের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন কেউ কেউ। এই কল বন্ধ করার উপায় রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ সেটিংসে গিয়ে সাইলেন্স আননোন কল অপশন অন করে দিন। এতে অপরিচিত ও স্প্যাম কল এড়িয়ে যেতে পারবেন।

চ্যাট লক: চ্যাট লক অপশনটিও বেশ কার্যকর। যদি মনে হয় আপনার ডিভাইস হ্যাক হয়েছে বা সাইবার হামলার কবলে পড়েছেন, তা হলে নির্দিষ্ট কোনো চ্যাট লক করে রাখতে পারেন। পাসওয়ার্ড বা বায়োমেট্রিক দিয়ে লক করা যায় চ্যাট। ওপরের এই ফিচারগুলো আপনার হোয়াটসঅ্যাপকে সুরক্ষিত রাখবে। এমনকি কোনো ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়া ঠেকাতে ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading

Trending