Connect with us

Highlights

যুক্তরাষ্ট্রে ব্রডব্যান্ডের ভর্তুকি নিতে ১০ লাখ পরিবারের আবেদন

Published

on

নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের নিরবচ্ছিন্ন ও বিস্তৃত সেবা বিস্তারে ৩২০ কোটি ডলারের সাময়িক প্রকল্প গ্রহণ করেছে কংগ্রেস। এ প্রকল্পের আওতায় ভর্তুকি গ্রহণের জন্যে প্রায় ১০ লাখ পরিবার আবেদন করেছে। সম্প্রতি দেশটির ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।

কমিশন সূত্রে জানা যায়, দেশের ৯০০-এর বেশি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এ প্রকল্পে অংশ নেয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যারা আমেরিকার নিম্নমধ্যবিত্ত কিংবা করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর মধ্যে সুলভ মূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে মাসিক ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদান করবে এবং কম দামে ল্যাপটপ ও কম্পিউটার বিক্রি করবে।

১২ মে থেকে এ প্রকল্প চালু হয়েছে। কিছু সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আশঙ্কা করছে, চার-ছয় মাসের মধ্যে তাদের টাকা শেষ হয়ে যাবে।

সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে জানা যায়, কিছু কিছু ইন্টারনেট সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবহারকারীদের এ ভর্তুকি গ্রহণ প্রকল্পে অংশ নিতে দিচ্ছে না। এ বিষয়ে ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জেসিকা রোজেন ওরসেল বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর এখনই এ পথ থেকে বের হয়ে আসা উচিত।

রোজেন ওরসেল বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের আরো বেশি ব্যয়বহুল প্যাকেজ গ্রহণের মাধ্যমে এ প্রকল্পে অংশ নেয়ার ব্যাপারেও প্রভাবিত করছে। তিনি গ্রাহকদের এ বিষয়ে ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের (এফসিসি) কাছে অভিযোগ দাখিল করতে বলেন এবং অভিযোগের ভিত্তিতে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এক ব্লগপোস্টে ভেরাইজন কমিউনিকেশনস জানায়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, সেখান থেকে কোনো মুনাফা অর্জনের জন্য আমরা গ্রাহকদের কোনো চাপ দিচ্ছি না। নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী গ্রাহকরা যেন তাদের পছন্দের ইন্টারনেট প্যাকেজ ও সেবা গ্রহণ করতে পারেন, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। তবে কী পরিমাণ গ্রাহক এ প্রকল্পে অংশ নিয়েছেন সে ব্যাপারে ইন্টারনেট সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিস্তারিত কোনো তথ্য দিতে রাজি হয়নি। তবে কমকাস্ট নামের প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তারা এখন পর্যন্ত ভালো সাড়া পেয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ কোটি ৩২ লাখ পরিবার রয়েছে, যারা এরই মধ্যে এ ভর্তুকি গ্রহণের জন্য উপযুক্ত।

গত জানুয়ারিতে এটিঅ্যান্ডটি জানায়, লাইফলাইন প্রকল্পে যেসব পরিবার অন্তর্গত, তাদের অর্ধেক জরুরি প্রয়োজনে ভর্তুকি প্রদানের এ প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে। নতুন যে ব্রডব্যান্ড প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে, তার জন্য প্রতি মাসে ৮০ কোটি ডলারের প্রয়োজন হবে।

এ প্রকল্পের ব্যাপারে প্রযুক্তিবিদ ও ইন্টারনেট সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। প্রকল্পের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে, সেটি শেষ হয়ে গেলে কংগ্রেস কি এ প্রকল্প আরো বৃদ্ধি করবে? যদি বৃদ্ধি করে তবে তারা কীভাবে এর খরচ জোগাবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঠেকাতে করণীয়

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
তীব্র গরমে মানুষের যেমন ভোগান্তিতে থাকে ঝামেলা হতে পারে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসেও। ডিভাইস গরম হয়র যায়, অফ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণের ঘটনা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তীব্র গরমে ঘরের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ঠান্ডা রাখবেন-
যে কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে গরম হয়ে যেতে পারে। তাই ব্যবহারের মাঝে কিছু সময় বিরতি দিন। ডিভাইস স্বাভাবিকের থেকে বেশি গরম হচ্ছে, তখনই ওই ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ করুন। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন সেট, ফ্রিজ, এসি, ফ্যান যে ডিভাইসই হোক না কেন বিরতি দিয়ে ব্যবহার করুন।

যেসব ডিভাইস প্লাগের সাহায্যে চালু রয়েছে, সেগুলো প্লাস থেকে খুলে নিন। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হবে ওই ডিভাইসে। এর পাশাপাশি সুইচের সাহায্যে যেসব ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করা সম্ভব, সেগুলোকে সুইচ অফ করে বন্ধ করুন। স্মার্টফোন গরম হতে থাকলে স্ক্রিন ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন। ফোন রাখুন এয়ারপ্লেন মোডে। এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপে কাজ বন্ধ রাখা প্রয়োজন। যে ডিভাইস গরম হয়ে যাচ্ছে সেটিকে এমন একটি পরিবেশে রাখুন যেটি তুলনামূলক ঠান্ডা।

অর্থাৎ তাপমাত্রা কম। ল্যাপটপ কিংবা ফোনে কভার থাকলে সেটা খুলে নিন। তার ফলে ডিভাইস গরম থাকলে তাপ নির্গত হবে সহজে। এসি ঘরে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারলে ভালো। ফোন বা ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না। ফোন চার্জে দিয়ে গেম খেললে বা স্ক্রল করলে ফোন দ্রুত গরম হতে পারে। এমনকি এ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে পারে।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ফ্যান যুক্ত কুলিং প্যাড ব্যবহার করুন। এই কুলিং প্যাডের উপর ল্যাপটপ রেখে ব্যবহার করতে পারলে ভালো। তাহলে মেশিন গরম হয়ে গেলেও নীচের কুলিং প্যাডে থাকা ফ্যানের সাহায্যে ডিভাইসের তাপ কমানো যাবে। বাড়িতে টিভি এবং গেমিং কনসোল থাকলে তার আশপাশে ফ্যান রাখুন। ফ্যানের হাওয়াতেও এইসব ডিভাইস অনেকটা ঠান্ডা থাকবে।

Continue Reading

Highlights

জেনে নিন ফেসবুক নাকি ইউটিউবে আয় বেশি?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেইসঙ্গে অনেকের কাছেই এটি অর্থ আয়ের একটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখন পেশাদারিভাবে ইউটিউব ও ফেসবুকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন। কোনো কোনো কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা উপার্জন করছেন।

মূলত মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ও ইউটিউব দুই জায়গা থেকেই ভালো টাকা আয় করা যায়। তবুও ক্রিয়েটরদের মধ্যে কেউ ফেসবুক, আবার কেউ ইউটিউবকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের থেকে বেশি পুরোনো ইউটিউব। এছাড়াও এখানে নানা বিষয়ের কনটেন্ট আপলোড হয়। যা নজর কাড়ে মানুষের। অন্যদিকে ইউটিউবে ভøগিং চ্যানেলের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কোন জায়গা থেকে সব থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় জানেন? ইউটিউব না ফেসবুক কে বেশি টাকা দেয়? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ ভিউয়ে ফেসবুকে ২৫০ থেকে ২৬০ ডলার আয় হয়ে থাকে। যেখানে ইউটিউবে ভিডিও অনুুযায়ী ২০০০ ডলারের বেশিও আয় করা যায়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইউটিউব এগিয়ে রয়েছে।

ফেসবুকে একাধিক মনিটাইজেশন টুল রয়েছে। যেমন- স্টার্স, ইন-ভিডিও পারচেস, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ইত্যাদি। অন্যদিকে ইউটিউবেও রয়েছে অসংখ্য মনিটাইজেশন টুল। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অধীনে একাধিক উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায়। যেমন – ইন-স্ট্রিম অ্যাড, স্পন্সরশিপ, সুপার চ্যাট ডোনেশন এবং চ্যানেল মেম্বারশিপ।

এক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব। কারণ ইউটিউবে এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইউটিউবে ডাটা ইউসেজও অনেক বেশি। প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ এমবি। যে কারণে ফেসবুকের থেকে মনিটাইজেসনের বিচারে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব।

Continue Reading

Highlights

রিয়েলফিল ক্যামেরা ফিচারের পরিধি বাড়াবে গুগল

Published

on

google

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) নতুন ফটোগ্রাফি ফিচার চালু করতে কাজ করছে গুগল। নতুন এ ফিচার বা প্রযুক্তির উন্নয়নে কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছে কোম্পানিটি। এটি ব্যবহারকারীদের ছবির রেজল্যুশন বাড়ানোর পাশাপাশি এডিটিংয়ে সহায়তা করবে। খবর গিজচায়না।

পাঁচটি রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে গুগলের নতুন ফিচারটি কাজ করবে বলে জানা গেছে। অফিশিয়াল বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, রিয়েলফিল ডাউনলোড করা যাবে না-এমন এআই সফটওয়্যারে আঁকা ছবি নিয়ে কাজের সুবিধা দেবে। এ ছাড়া অনলাইনেও অনুরূপ সুবিধা থাকবে, যেটি ব্যবহার করে জেনারেটিভ মডেল তৈরি করা যাবে। মূলত ফিচারটি ব্যবহারকারীদের যেকোনো ছবি সহজে সম্পাদনার সুযোগ দেবে।

একটি গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে রিয়েলফিলের এ প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছে। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম রেফারেন্স ড্রাইভেন জেনারেশন ফর অথেনটিক ইমেজ কমপ্লিশন। এখানে একাধিক রেফারেন্স থেকে কীভাবে মূল ছবি এডিট করা হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে। গুগলের দাবি রেফারেন্সে থাকা ছবি ব্যবহার করে ফিচারটি অন্য অ্যাপের তুলনায় ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

প্রযুক্তিবিদদের মতে, এআইনির্ভর ফটোগ্রাফি টুল হিসেবে রিয়েলফিল আকর্ষণীয় হলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত বেশকিছু ইমেজ জেনারেশন মডেলের তুলনায় এটি ধীরগতির। পিক্সেল স্মার্টফোন লাইনআপে নাইট সাইট মোডের মতো অ্যাডভান্সড কম্পিউট্যাশনাল ফটোগ্রাফি ফিচার যুক্ত করেছে গুগল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবিষ্যতে পিক্সেল ডিভাইস বা গুগল ফটোজ অ্যাপে চারটি যুক্ত করা হবে। যদি এটি যুক্ত হয় তখন ব্যবহারকারীরা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় সহজে ছবি সম্পাদনা করতে পারবেন।

Continue Reading

Trending