Connect with us

Highlights

ভারত সরকারের বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের মামলা

Published

on

নিউজ ডেস্ক:
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন ডিজিটাল আইনের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছে ফেসবুক নিয়ন্ত্রণাধীন মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। তাদের অভিযোগ, নতুন আইন মেনে নিলে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করতে হবে। খবর ব্লুমবার্গ ও গার্ডিয়ান।

সময়সীমা শেষ হওয়ায় বুধবার থেকে ভারতে নতুন ডিজিটাল আইন কার্যকর হচ্ছে। এর আগে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও টুইটারকে নতুন ডিজিটাল আইন মেনে নেওয়ার জন্য তিন মাসের সময় বেঁধে দিয়েছিল দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের এ আগ্রাসী সিদ্ধান্তের ফলে হোয়াটসঅ্যাপ ও সিগন্যালের মতো পার্সন টু পার্সন এনক্রিপটেড মেসেজেও খবরদারি করতে পারবে সরকার।

আদালতে দায়ের করা অভিযোগপত্রে হোয়াটসঅ্যাপ বলছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন ডিজিটাল আইনটি উচ্চ আদালতে অবৈধ ঘোষণা করা উচিত। কারণ তারা চাইলে কোনো মেসেজ আগে কে পাঠিয়েছেন সেটি জানতে পারবেন। এর ফলে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা লঙ্ঘন হবে। আইনটি ভারতের সংবিধানের বরখেলাপ এবং নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের সামিল। এতে ২০১৭ সালে করা সুপ্রীম কোর্টের একটি রুলিং ভঙ্গ হবে।

গত মঙ্গলবার অবশ্য ফেসবুক জানিয়েছিল তারা ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন আইনটি মেনে নেবে। ইতোমধ্যে ব্যবহারকারীর তথ্য শেয়ারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা। প্রশ্ন উঠেছে, ফেসবুক মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ কেন দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করল? এক বিবৃতিতে এ প্রশ্নের জবাব দিয়েছে ফেসবুক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি। তারা বলেছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন ডিজিটাল আইনে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে না।

প্রথমবারের মতো কোন দেশের সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করলো হোয়াটসঅ্যাপ। ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষা ইস্যুতে এর আগে ব্রাজিলের সঙ্গেও বিরোধে জড়িয়েছিল ফেসবুক মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্মটি। বেশ কয়েকবার লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশটিতে হোয়াটসঅ্যাপের সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০ কোটিরও বেশি। ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা কীভাবে রক্ষা করা যায় সে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। একই সঙ্গে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

গত কয়েক বছর ধরেই সোসাল মিডিয়াগুলোর রাশ টেনে ধরার চেষ্টা করছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার। কভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে সমালোচনা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। ভারতের প্রচলিত প্রযুক্তি কোম্পানীগুলোর সঙ্গে সরকারের উত্তেজনা চলতি সপ্তাহে চূড়ায় পৌছেছে।

মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারের সঙ্গে গত কয়েক মাস ধরেই মোদি প্রশাসনের টানাপড়েন চলছিল। সরকারের সমালোচনামূলক এবং কভিড-১৯ রেকর্ড নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট সরাতে চাপ দিয়ে আসছিল তারা। গত মাসে ভারত সরকারের দাবি মোতাবেক ৫০টিরও বেশি পোস্ট সরিয়েছিল টুইটার। এমনকি চলতি বছরের শুরুতে কৃষক আন্দোলনের সময় ৫০০টিরও বেশি অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

জেনে নিন ফেসবুক নাকি ইউটিউবে আয় বেশি?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেইসঙ্গে অনেকের কাছেই এটি অর্থ আয়ের একটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখন পেশাদারিভাবে ইউটিউব ও ফেসবুকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন। কোনো কোনো কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা উপার্জন করছেন।

মূলত মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ও ইউটিউব দুই জায়গা থেকেই ভালো টাকা আয় করা যায়। তবুও ক্রিয়েটরদের মধ্যে কেউ ফেসবুক, আবার কেউ ইউটিউবকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের থেকে বেশি পুরোনো ইউটিউব। এছাড়াও এখানে নানা বিষয়ের কনটেন্ট আপলোড হয়। যা নজর কাড়ে মানুষের। অন্যদিকে ইউটিউবে ভøগিং চ্যানেলের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কোন জায়গা থেকে সব থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় জানেন? ইউটিউব না ফেসবুক কে বেশি টাকা দেয়? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ ভিউয়ে ফেসবুকে ২৫০ থেকে ২৬০ ডলার আয় হয়ে থাকে। যেখানে ইউটিউবে ভিডিও অনুুযায়ী ২০০০ ডলারের বেশিও আয় করা যায়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইউটিউব এগিয়ে রয়েছে।

ফেসবুকে একাধিক মনিটাইজেশন টুল রয়েছে। যেমন- স্টার্স, ইন-ভিডিও পারচেস, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ইত্যাদি। অন্যদিকে ইউটিউবেও রয়েছে অসংখ্য মনিটাইজেশন টুল। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অধীনে একাধিক উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায়। যেমন – ইন-স্ট্রিম অ্যাড, স্পন্সরশিপ, সুপার চ্যাট ডোনেশন এবং চ্যানেল মেম্বারশিপ।

এক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব। কারণ ইউটিউবে এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইউটিউবে ডাটা ইউসেজও অনেক বেশি। প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ এমবি। যে কারণে ফেসবুকের থেকে মনিটাইজেসনের বিচারে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব।

Continue Reading

Highlights

রিয়েলফিল ক্যামেরা ফিচারের পরিধি বাড়াবে গুগল

Published

on

google

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) নতুন ফটোগ্রাফি ফিচার চালু করতে কাজ করছে গুগল। নতুন এ ফিচার বা প্রযুক্তির উন্নয়নে কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছে কোম্পানিটি। এটি ব্যবহারকারীদের ছবির রেজল্যুশন বাড়ানোর পাশাপাশি এডিটিংয়ে সহায়তা করবে। খবর গিজচায়না।

পাঁচটি রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে গুগলের নতুন ফিচারটি কাজ করবে বলে জানা গেছে। অফিশিয়াল বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, রিয়েলফিল ডাউনলোড করা যাবে না-এমন এআই সফটওয়্যারে আঁকা ছবি নিয়ে কাজের সুবিধা দেবে। এ ছাড়া অনলাইনেও অনুরূপ সুবিধা থাকবে, যেটি ব্যবহার করে জেনারেটিভ মডেল তৈরি করা যাবে। মূলত ফিচারটি ব্যবহারকারীদের যেকোনো ছবি সহজে সম্পাদনার সুযোগ দেবে।

একটি গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে রিয়েলফিলের এ প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছে। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম রেফারেন্স ড্রাইভেন জেনারেশন ফর অথেনটিক ইমেজ কমপ্লিশন। এখানে একাধিক রেফারেন্স থেকে কীভাবে মূল ছবি এডিট করা হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে। গুগলের দাবি রেফারেন্সে থাকা ছবি ব্যবহার করে ফিচারটি অন্য অ্যাপের তুলনায় ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

প্রযুক্তিবিদদের মতে, এআইনির্ভর ফটোগ্রাফি টুল হিসেবে রিয়েলফিল আকর্ষণীয় হলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত বেশকিছু ইমেজ জেনারেশন মডেলের তুলনায় এটি ধীরগতির। পিক্সেল স্মার্টফোন লাইনআপে নাইট সাইট মোডের মতো অ্যাডভান্সড কম্পিউট্যাশনাল ফটোগ্রাফি ফিচার যুক্ত করেছে গুগল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবিষ্যতে পিক্সেল ডিভাইস বা গুগল ফটোজ অ্যাপে চারটি যুক্ত করা হবে। যদি এটি যুক্ত হয় তখন ব্যবহারকারীরা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় সহজে ছবি সম্পাদনা করতে পারবেন।

Continue Reading

Highlights

যেভাবে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট নিরাপদ রাখবেন

Published

on

whatsapp

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। দিন দিন বাড়ছে এর ব্যবহার। তবে হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট এবং ছবি ও ফাইল কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন তা জানেন না অনেকেই। এর ফলে সাইবার অপরাধীদের ব্ল্যাকমেইলিং, ফিশিং ও বিভিন্ন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন কেউ কেউ। তবে কয়েকটি নিরাপত্তা ফিচার ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ: হোয়াটসঅ্যাপে ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ অপশন রয়েছে। যদি মনে হয় আপনার হোয়াটসঅ্যাপের ওপর কেউ নজরদারি চালাচ্ছে তা হলে এই অপশন অন করে দিন। এই অপশন চালু থাকলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর মেসেজ ডিসঅ্যাপিয়ার বা মুছে যাবে।

অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন: হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট নিরাপত্তার দ্বিতীয় টিপস হলো অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন। সমস্ত চ্যাটে এই ফিচার অন করে রাখুন। এর সুবিধা হলো আপনি যাকে টেক্সট পাঠাচ্ছেন তিনি আর আপনি ছাড়া অন্য কেউ মেসেজ দেখতে পাবে না। অবৈধভাবে ঢুকে কেউ কোনো তথ্য দেখতে বা অ্যাকসেস করতে পারবে না। তাই ফাঁস হওয়ার ঝুঁকিও থাকবে না।

স্প্যাম কল বন্ধ করা: স্প্যাম কলের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন কেউ কেউ। এই কল বন্ধ করার উপায় রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ সেটিংসে গিয়ে সাইলেন্স আননোন কল অপশন অন করে দিন। এতে অপরিচিত ও স্প্যাম কল এড়িয়ে যেতে পারবেন।

চ্যাট লক: চ্যাট লক অপশনটিও বেশ কার্যকর। যদি মনে হয় আপনার ডিভাইস হ্যাক হয়েছে বা সাইবার হামলার কবলে পড়েছেন, তা হলে নির্দিষ্ট কোনো চ্যাট লক করে রাখতে পারেন। পাসওয়ার্ড বা বায়োমেট্রিক দিয়ে লক করা যায় চ্যাট। ওপরের এই ফিচারগুলো আপনার হোয়াটসঅ্যাপকে সুরক্ষিত রাখবে। এমনকি কোনো ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়া ঠেকাতে ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading

Trending