Connect with us

Highlights

ভারতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে গুগল

Published

on

নিউজ ডেস্ক:
‘কম্পিটিশন কমিশন ইন্ডিয়া (সিসিআই)’-এর বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে গুগল। মার্কিন সার্চ জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে একআধিপত্য বিস্তার চেষ্টার অভিযোগ তদন্ত করছিলো ওই নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। তদন্তের গোপন নথি ‘ফাঁস’ হয়ে যাওয়ায় সংস্থাটির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুগল।

রয়টার্স জানিয়েছে, গুগল সিসিআই-এর বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বৃহস্পতিবার। গুগলের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে সিসিআই আবিষ্কার করে -ভারতের বাজারে অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর শীর্ষ অবস্থানের অপব্যবহার করেছে গুগল, “ব্যাপক আর্থিক ক্ষমতা” কাজে লাগিয়ে বেআইনিভাবে ক্ষতি করেছে প্রতিযোগীদের। এই প্রসঙ্গে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে গুগল বলেছিলো, সিসিআইয়ের সঙ্গে কাজ নিয়ে আশাবাদী তারা।

“অ্যান্ড্রয়েড থেকে কীভাবে প্রতিযোগিতা না কমে বরং নতুন প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবনের সূত্রপাত হয়েছে” সেটি দেখাতে চেয়েছিলো গুগল। কিন্তু বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে সিসিআইয়ের বিরুদ্ধে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার কথা বলেছে গুগল। রয়টার্স জানিয়েছে, দিল্লির হাই কোর্টে “আরও গোপন নথির বেআইনি প্রকাশ ঠেকাতে” সংস্থাটিকে আইনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে গুগল। গুগল বলছে, তারা “গোপনীয়তা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে”।

গুগলের মতে, সিসিআইয়ের কারণে গুগলের “নিজেকে রক্ষা করার ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং গুগলের অংশীদাররা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে”। “পুরো তদন্ত প্রক্রিয়ায় আমরা সাবধানতার সঙ্গে সহযোগিতা করেছি এবং গোপনীয়তা বজায় রেখেছি। যে সংস্থার সঙ্গে কাজ করছি, তাদের কাছ থেকেও একই রকমের গোপনীয়তা আশা করি আমরা।”–বিবৃতিতে বলেছে গুগল।

গুগলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি সিসিআই। ভারতের বাজারে গুগলের ভূমিকা নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলো ২০১৯ সালে। তদন্তের আগেই অনুমান ছিল, বাজারে নিজেদের আধিপত্য কাজে লাগিয়ে গুগল সম্ভবত ডিভাইস নির্মাতাদের বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের ক্ষমতা কমিয়ে এনেছে এবং নির্মাতাদের ডিভাইসে নিজস্ব অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করতে বাধ্য করেছে। ৭৫০ পাতার ওই তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গুগলের অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করতে বাধ্য করা “ডিভাইস নির্মাতাদের উপর অন্যায় শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার সমান”, যা ভারতের প্রতিযোগিতা আইন বিরোধী। ওই তদন্ত প্রতিবেদন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। তবে প্রতিবেদন পড়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বাজারে নিজেদের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে নিজস্ব ‘প্লে স্টোর’-কেও ব্যবহার করেছে গুগল।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঠেকাতে করণীয়

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
তীব্র গরমে মানুষের যেমন ভোগান্তিতে থাকে ঝামেলা হতে পারে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসেও। ডিভাইস গরম হয়র যায়, অফ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণের ঘটনা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তীব্র গরমে ঘরের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ঠান্ডা রাখবেন-
যে কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে গরম হয়ে যেতে পারে। তাই ব্যবহারের মাঝে কিছু সময় বিরতি দিন। ডিভাইস স্বাভাবিকের থেকে বেশি গরম হচ্ছে, তখনই ওই ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ করুন। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন সেট, ফ্রিজ, এসি, ফ্যান যে ডিভাইসই হোক না কেন বিরতি দিয়ে ব্যবহার করুন।

যেসব ডিভাইস প্লাগের সাহায্যে চালু রয়েছে, সেগুলো প্লাস থেকে খুলে নিন। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হবে ওই ডিভাইসে। এর পাশাপাশি সুইচের সাহায্যে যেসব ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করা সম্ভব, সেগুলোকে সুইচ অফ করে বন্ধ করুন। স্মার্টফোন গরম হতে থাকলে স্ক্রিন ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন। ফোন রাখুন এয়ারপ্লেন মোডে। এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপে কাজ বন্ধ রাখা প্রয়োজন। যে ডিভাইস গরম হয়ে যাচ্ছে সেটিকে এমন একটি পরিবেশে রাখুন যেটি তুলনামূলক ঠান্ডা।

অর্থাৎ তাপমাত্রা কম। ল্যাপটপ কিংবা ফোনে কভার থাকলে সেটা খুলে নিন। তার ফলে ডিভাইস গরম থাকলে তাপ নির্গত হবে সহজে। এসি ঘরে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারলে ভালো। ফোন বা ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না। ফোন চার্জে দিয়ে গেম খেললে বা স্ক্রল করলে ফোন দ্রুত গরম হতে পারে। এমনকি এ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে পারে।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ফ্যান যুক্ত কুলিং প্যাড ব্যবহার করুন। এই কুলিং প্যাডের উপর ল্যাপটপ রেখে ব্যবহার করতে পারলে ভালো। তাহলে মেশিন গরম হয়ে গেলেও নীচের কুলিং প্যাডে থাকা ফ্যানের সাহায্যে ডিভাইসের তাপ কমানো যাবে। বাড়িতে টিভি এবং গেমিং কনসোল থাকলে তার আশপাশে ফ্যান রাখুন। ফ্যানের হাওয়াতেও এইসব ডিভাইস অনেকটা ঠান্ডা থাকবে।

Continue Reading

Highlights

জেনে নিন ফেসবুক নাকি ইউটিউবে আয় বেশি?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেইসঙ্গে অনেকের কাছেই এটি অর্থ আয়ের একটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখন পেশাদারিভাবে ইউটিউব ও ফেসবুকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন। কোনো কোনো কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা উপার্জন করছেন।

মূলত মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ও ইউটিউব দুই জায়গা থেকেই ভালো টাকা আয় করা যায়। তবুও ক্রিয়েটরদের মধ্যে কেউ ফেসবুক, আবার কেউ ইউটিউবকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের থেকে বেশি পুরোনো ইউটিউব। এছাড়াও এখানে নানা বিষয়ের কনটেন্ট আপলোড হয়। যা নজর কাড়ে মানুষের। অন্যদিকে ইউটিউবে ভøগিং চ্যানেলের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কোন জায়গা থেকে সব থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় জানেন? ইউটিউব না ফেসবুক কে বেশি টাকা দেয়? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ ভিউয়ে ফেসবুকে ২৫০ থেকে ২৬০ ডলার আয় হয়ে থাকে। যেখানে ইউটিউবে ভিডিও অনুুযায়ী ২০০০ ডলারের বেশিও আয় করা যায়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইউটিউব এগিয়ে রয়েছে।

ফেসবুকে একাধিক মনিটাইজেশন টুল রয়েছে। যেমন- স্টার্স, ইন-ভিডিও পারচেস, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ইত্যাদি। অন্যদিকে ইউটিউবেও রয়েছে অসংখ্য মনিটাইজেশন টুল। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অধীনে একাধিক উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায়। যেমন – ইন-স্ট্রিম অ্যাড, স্পন্সরশিপ, সুপার চ্যাট ডোনেশন এবং চ্যানেল মেম্বারশিপ।

এক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব। কারণ ইউটিউবে এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইউটিউবে ডাটা ইউসেজও অনেক বেশি। প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ এমবি। যে কারণে ফেসবুকের থেকে মনিটাইজেসনের বিচারে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব।

Continue Reading

Highlights

রিয়েলফিল ক্যামেরা ফিচারের পরিধি বাড়াবে গুগল

Published

on

google

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) নতুন ফটোগ্রাফি ফিচার চালু করতে কাজ করছে গুগল। নতুন এ ফিচার বা প্রযুক্তির উন্নয়নে কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছে কোম্পানিটি। এটি ব্যবহারকারীদের ছবির রেজল্যুশন বাড়ানোর পাশাপাশি এডিটিংয়ে সহায়তা করবে। খবর গিজচায়না।

পাঁচটি রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে গুগলের নতুন ফিচারটি কাজ করবে বলে জানা গেছে। অফিশিয়াল বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, রিয়েলফিল ডাউনলোড করা যাবে না-এমন এআই সফটওয়্যারে আঁকা ছবি নিয়ে কাজের সুবিধা দেবে। এ ছাড়া অনলাইনেও অনুরূপ সুবিধা থাকবে, যেটি ব্যবহার করে জেনারেটিভ মডেল তৈরি করা যাবে। মূলত ফিচারটি ব্যবহারকারীদের যেকোনো ছবি সহজে সম্পাদনার সুযোগ দেবে।

একটি গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে রিয়েলফিলের এ প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছে। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম রেফারেন্স ড্রাইভেন জেনারেশন ফর অথেনটিক ইমেজ কমপ্লিশন। এখানে একাধিক রেফারেন্স থেকে কীভাবে মূল ছবি এডিট করা হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে। গুগলের দাবি রেফারেন্সে থাকা ছবি ব্যবহার করে ফিচারটি অন্য অ্যাপের তুলনায় ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

প্রযুক্তিবিদদের মতে, এআইনির্ভর ফটোগ্রাফি টুল হিসেবে রিয়েলফিল আকর্ষণীয় হলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত বেশকিছু ইমেজ জেনারেশন মডেলের তুলনায় এটি ধীরগতির। পিক্সেল স্মার্টফোন লাইনআপে নাইট সাইট মোডের মতো অ্যাডভান্সড কম্পিউট্যাশনাল ফটোগ্রাফি ফিচার যুক্ত করেছে গুগল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবিষ্যতে পিক্সেল ডিভাইস বা গুগল ফটোজ অ্যাপে চারটি যুক্ত করা হবে। যদি এটি যুক্ত হয় তখন ব্যবহারকারীরা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় সহজে ছবি সম্পাদনা করতে পারবেন।

Continue Reading

Trending