Connect with us

Highlights

নোবেলিয়াম হ্যাকার গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ মাইক্রোসফটের

Published

on

নোবেলিয়াম নামে একটি হ্যাকার গ্রুপের বিরুদ্ধে গ্রাহক সেবা এজেন্টে প্রবেশের মাধ্যমে গ্রাহকদের তথ্য হাতিয়ে নেয়ার কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছে মাইক্রোসফট। হ্যাকার গ্রুপটির নতুন একটি দল এমনটা করেছে বলেও জানায় টেক জায়ান্টটি। শুক্রবার এমন অভিযোগ করেছে মাইক্রোসফট। খবর রয়টার্স ও দ্য ভার্জ।

মাইক্রোসফট জানায়, তাদের ও সফটওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সোলারউইন্ডে সাইবার আক্রমণ পরিচালনার সঙ্গে গ্রুপটি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। হ্যাকিং কার্যক্রমে মাইক্রোসফটের কিছু টুল হ্যাকারদের সুবিধা দিয়েছে বলেও জানায় কোম্পানিটি। টেক জায়ান্টটি জানায়, হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়া গ্রাহকদের এ ব্যাপারে সতর্ক করেছিল তারা। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, নোবেলিয়াম নামে একটি হ্যাকিং গ্রুপ মে মাসের মধ্যবর্তী সময়ে এ আক্রমণ করে বলে গ্রাহকদের একটি সতর্ক বার্তা দেয় মাইক্রোসফট।

সতর্ক বার্তায় মাইক্রোসফট উল্লেখ করে যে একটি সুসংগঠিত দেশের সহায়তায় নোবেলিয়াম নামে একটি হ্যাকার গ্রুপ মাইক্রোসফটের গ্রাহক সেবা টুলে প্রবেশ করেছে। টুলগুলোর মাধ্যমে তারা গ্রাহকদের মাইক্রোসফট সেবার সাবস্ক্রিপশন তথ্য সংগ্রহ করছে। এরপর মার্কিন প্রশাসন দাবি করে রাশিয়া সরকারের মদদে হ্যাকার গ্রুপ এমন আক্রমণ পরিচালনা করেছে। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাশিয়া।

বিস্তৃত ফিশিং ক্যাম্পেইনের ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে মাইক্রোসফট জানায়, তাদের টুলগুলো খুব স্বল্প পরিমাণে হ্যাকারদের সাহায্য করেছে। পাশাপাশি তারা জানায়, হ্যাকিং কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তারা নিজেদের কিছু এজেন্টকেও খুঁজে পেয়েছে, তবে তাদের ক্ষমতা ছিল সীমিত পর্যায়ের। এসব এজেন্ট মাইক্রোসফট গ্রাহকদের সেবা গ্রহণের তালিকা ও এসব সেবার বিপরীতে লেনদেনের পরিমাণ দেখতে পারত। টেক জায়ান্টটি আরো জানায়, হ্যাকার গ্রুপটি তাদের ফিশিং ক্যাম্পেইন পরিচালনার জন্য কিছু উল্লেখযোগ্য লক্ষ্যমাত্রার ক্ষেত্রে এসব তথ্য ব্যবহার করেছে।

এমন ঘটনা নজরে আসার পর পরই মাইক্রোসফট তার গ্রাহকদের কাছে বর্তমান ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করার জন্য সতর্কবার্তা পাঠায়। পাশাপাশি কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়, গ্রাহকদের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে তারা যেন আরো সতর্কতা অবলম্বন করেন।

মাইক্রোসফট জানায়, তারা তিনটি অস্তিত্বের সন্ধান পেয়েছে, যা হ্যাকারদের পরিচালিত এ ফিশিং ক্যাম্পেইনের সঙ্গে সহযোগিতামূলক আচরণ করেছে। এসব অস্তিত্বের ব্যাপারে তারা সতর্ক আছে বলেও জানায় তারা। তবে শনাক্ত হওয়া হ্যাকিংয়ে সহায়তাকারী যেসব এজেন্টের মাধ্যমে হ্যাকাররা গ্রাহকদের তথ্য দেখতে পেয়েছে, তারা নিজেদের মধ্যকার ছিল কিনা অথবা তারা ফিশিং ক্যাম্পেইনের ফাঁদে পা দিয়েছে কিনা এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি মাইক্রোসফট। একই সঙ্গে এসব এজেন্ট মাইক্রোসফটের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ কেউ বা তাদের নিজস্ব কর্মী কিনা তাও পরিষ্কার করেনি কোম্পানিটি।

মাইক্রোসফটের এক মুখপাত্র জানান, সর্বশেষ হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত মূল হ্যাকাররা নোবেলিয়ামের পূর্ববর্তী আক্রমণকারী দলের অংশ নয়। হ্যাকারদের সোর্স কোড অনুযায়ী এমনটা নিশ্চিত করেছে কোম্পানিটি। নয়টি মার্কিন ফেডারেল এজেন্সির পাশাপাশি সোলারউইন্ডে আক্রমণ পরিচালনার সময় হ্যাকার গ্রুপটি তাদের কোডগুলো পরিবর্তন করে নেয়। এর আগে মাইক্রোসফটের আরেকটি সেবায় হ্যাকিং পরিচালনা করেছিল নোবেলিয়াম হ্যাকার গ্রুপ।

মার্কিন স্বরাষ্ট্র সুরক্ষা বিভাগের তথ্যানুযায়ী, সোলারউইন্ড গ্রাহক ও অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ পরিচালনা করার জন্য হ্যাকার গ্রুপটি মাইক্রোসফটের প্রোগ্রাম কনফিগারেশনের পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। পরবর্তী সময়ে মাইক্রোসফট জানায়, হ্যাকার গ্রুপটি মাইক্রোসফটের নিজস্ব কর্মীদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে এ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর হ্যাকাররা মাইক্রোসফটের গ্রাহক পরিচিতি নিশ্চিত করার জন্য সফটওয়্যারের নির্দেশনায় নিয়ন্ত্রণ নেয়।

স্বরাষ্ট্র সুরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র স্কট ম্যাককনেল জানান, সাইবার প্রতিরক্ষা বিভাগ আক্রান্ত গ্রাহকদের সহযোগিতার জন্য মাইক্রোসফট ও আন্তঃএজেন্সি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঠেকাতে করণীয়

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
তীব্র গরমে মানুষের যেমন ভোগান্তিতে থাকে ঝামেলা হতে পারে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসেও। ডিভাইস গরম হয়র যায়, অফ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণের ঘটনা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তীব্র গরমে ঘরের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ঠান্ডা রাখবেন-
যে কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে গরম হয়ে যেতে পারে। তাই ব্যবহারের মাঝে কিছু সময় বিরতি দিন। ডিভাইস স্বাভাবিকের থেকে বেশি গরম হচ্ছে, তখনই ওই ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ করুন। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন সেট, ফ্রিজ, এসি, ফ্যান যে ডিভাইসই হোক না কেন বিরতি দিয়ে ব্যবহার করুন।

যেসব ডিভাইস প্লাগের সাহায্যে চালু রয়েছে, সেগুলো প্লাস থেকে খুলে নিন। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হবে ওই ডিভাইসে। এর পাশাপাশি সুইচের সাহায্যে যেসব ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করা সম্ভব, সেগুলোকে সুইচ অফ করে বন্ধ করুন। স্মার্টফোন গরম হতে থাকলে স্ক্রিন ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন। ফোন রাখুন এয়ারপ্লেন মোডে। এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপে কাজ বন্ধ রাখা প্রয়োজন। যে ডিভাইস গরম হয়ে যাচ্ছে সেটিকে এমন একটি পরিবেশে রাখুন যেটি তুলনামূলক ঠান্ডা।

অর্থাৎ তাপমাত্রা কম। ল্যাপটপ কিংবা ফোনে কভার থাকলে সেটা খুলে নিন। তার ফলে ডিভাইস গরম থাকলে তাপ নির্গত হবে সহজে। এসি ঘরে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারলে ভালো। ফোন বা ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না। ফোন চার্জে দিয়ে গেম খেললে বা স্ক্রল করলে ফোন দ্রুত গরম হতে পারে। এমনকি এ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে পারে।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ফ্যান যুক্ত কুলিং প্যাড ব্যবহার করুন। এই কুলিং প্যাডের উপর ল্যাপটপ রেখে ব্যবহার করতে পারলে ভালো। তাহলে মেশিন গরম হয়ে গেলেও নীচের কুলিং প্যাডে থাকা ফ্যানের সাহায্যে ডিভাইসের তাপ কমানো যাবে। বাড়িতে টিভি এবং গেমিং কনসোল থাকলে তার আশপাশে ফ্যান রাখুন। ফ্যানের হাওয়াতেও এইসব ডিভাইস অনেকটা ঠান্ডা থাকবে।

Continue Reading

Highlights

জেনে নিন ফেসবুক নাকি ইউটিউবে আয় বেশি?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেইসঙ্গে অনেকের কাছেই এটি অর্থ আয়ের একটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখন পেশাদারিভাবে ইউটিউব ও ফেসবুকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন। কোনো কোনো কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা উপার্জন করছেন।

মূলত মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ও ইউটিউব দুই জায়গা থেকেই ভালো টাকা আয় করা যায়। তবুও ক্রিয়েটরদের মধ্যে কেউ ফেসবুক, আবার কেউ ইউটিউবকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের থেকে বেশি পুরোনো ইউটিউব। এছাড়াও এখানে নানা বিষয়ের কনটেন্ট আপলোড হয়। যা নজর কাড়ে মানুষের। অন্যদিকে ইউটিউবে ভøগিং চ্যানেলের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কোন জায়গা থেকে সব থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় জানেন? ইউটিউব না ফেসবুক কে বেশি টাকা দেয়? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ ভিউয়ে ফেসবুকে ২৫০ থেকে ২৬০ ডলার আয় হয়ে থাকে। যেখানে ইউটিউবে ভিডিও অনুুযায়ী ২০০০ ডলারের বেশিও আয় করা যায়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইউটিউব এগিয়ে রয়েছে।

ফেসবুকে একাধিক মনিটাইজেশন টুল রয়েছে। যেমন- স্টার্স, ইন-ভিডিও পারচেস, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ইত্যাদি। অন্যদিকে ইউটিউবেও রয়েছে অসংখ্য মনিটাইজেশন টুল। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অধীনে একাধিক উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায়। যেমন – ইন-স্ট্রিম অ্যাড, স্পন্সরশিপ, সুপার চ্যাট ডোনেশন এবং চ্যানেল মেম্বারশিপ।

এক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব। কারণ ইউটিউবে এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইউটিউবে ডাটা ইউসেজও অনেক বেশি। প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ এমবি। যে কারণে ফেসবুকের থেকে মনিটাইজেসনের বিচারে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব।

Continue Reading

Highlights

রিয়েলফিল ক্যামেরা ফিচারের পরিধি বাড়াবে গুগল

Published

on

google

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) নতুন ফটোগ্রাফি ফিচার চালু করতে কাজ করছে গুগল। নতুন এ ফিচার বা প্রযুক্তির উন্নয়নে কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছে কোম্পানিটি। এটি ব্যবহারকারীদের ছবির রেজল্যুশন বাড়ানোর পাশাপাশি এডিটিংয়ে সহায়তা করবে। খবর গিজচায়না।

পাঁচটি রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে গুগলের নতুন ফিচারটি কাজ করবে বলে জানা গেছে। অফিশিয়াল বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, রিয়েলফিল ডাউনলোড করা যাবে না-এমন এআই সফটওয়্যারে আঁকা ছবি নিয়ে কাজের সুবিধা দেবে। এ ছাড়া অনলাইনেও অনুরূপ সুবিধা থাকবে, যেটি ব্যবহার করে জেনারেটিভ মডেল তৈরি করা যাবে। মূলত ফিচারটি ব্যবহারকারীদের যেকোনো ছবি সহজে সম্পাদনার সুযোগ দেবে।

একটি গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে রিয়েলফিলের এ প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছে। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম রেফারেন্স ড্রাইভেন জেনারেশন ফর অথেনটিক ইমেজ কমপ্লিশন। এখানে একাধিক রেফারেন্স থেকে কীভাবে মূল ছবি এডিট করা হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে। গুগলের দাবি রেফারেন্সে থাকা ছবি ব্যবহার করে ফিচারটি অন্য অ্যাপের তুলনায় ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

প্রযুক্তিবিদদের মতে, এআইনির্ভর ফটোগ্রাফি টুল হিসেবে রিয়েলফিল আকর্ষণীয় হলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত বেশকিছু ইমেজ জেনারেশন মডেলের তুলনায় এটি ধীরগতির। পিক্সেল স্মার্টফোন লাইনআপে নাইট সাইট মোডের মতো অ্যাডভান্সড কম্পিউট্যাশনাল ফটোগ্রাফি ফিচার যুক্ত করেছে গুগল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবিষ্যতে পিক্সেল ডিভাইস বা গুগল ফটোজ অ্যাপে চারটি যুক্ত করা হবে। যদি এটি যুক্ত হয় তখন ব্যবহারকারীরা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় সহজে ছবি সম্পাদনা করতে পারবেন।

Continue Reading

Trending