Connect with us

Highlights

নিলামে সবচেয়ে বেশি তরঙ্গ কিনলো গ্রামীণফোন

Published

on

মোবাইল অপারেটরদের কাছে ৭ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকায় তরঙ্গ বিক্রি করল সরকার। সোমবার (০৮ মার্চ) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নিলামে এ পরিমাণ টাকায় ২৭ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বিক্রি হয়। পাঁচ বছরের কিস্তিতে অপারেটরদের কাছ থেকে টাকাগুলো পাওয়া যাবে।

আফ্রিকার ইথিওপিয়া-সুদান থেকে দশভাগ পিছিয়ে থাকা নেটওয়ার্ক উন্নত করতে তরঙ্গ কিনেছে মুঠোফোন অপারেটররা। নিলামে তোলা ২৭ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গের পুরোটাই কিনেছে বেসরকারি তিন অপারেটর। দুটি ব্যান্ডে সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনেছে গ্রামীণফোন। আর নিলামে অংশ নিয়েও কোন তরঙ্গ না কিনেই ফেরত গেছে সরকারি অপারেটর টেলিটক। বিটিআরসি বলছে, মোট দামের চার ভাগের এক ভাগ দিতে হবে ২২ মার্চের মধ্যেই।

বাংলাদেশ মোবাইল নেটওয়ার্কের যুগে প্রবেশ করেছে নব্বই দশকে। ধীরে ধীরে বেড়েছে এর ব্যবহার। বর্তমানে গ্রাহকের সংখ্যা ১৭ কোটি। করোনা মহামারির সময় মোবাইলের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। আর তাতেই হোঁচট খেল দেশের মুঠোফোন অপরেটররা। যখন তখন কল ড্রপ, নেটওয়ার্ক সমস্যাসহ ইন্টারনেটের দুর্বল গতি ভোগাচ্ছে গ্রাহককে।

ইন্টারনেট গতি মাপার আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওকলার সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোবাইল ইন্টারনেটে ডাউনলোডের গড় গতি ১০ দশমিক ৫৭ এমবিপিএস এবং আপলোডের গতি ৭ দশমিক ১৯ এমবিপিএস। এ ধীরগতি নিয়ে বিশ্বের ১৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৬তম। আফ্রিকার পিছিয়েপড়া দেশ ইথিওপিয়া-সুদানের চেয়েও যার গতি দুর্বল।

মুঠোফোন সেবার এমন দুর্গতি দূর করতে সোমবার (০৮ মার্চ) তরঙ্গ নিলামে তুললো নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি। যেখানে ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ৯ নম্বর ব্লকের ৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ পাওয়ার জন্য সোমবার দুপুর দেড়টা থেকে প্রতিযোগিতায় নামে রবি ও গ্রামীণফোন। ৮ ঘণ্টার যুদ্ধশেষে রবিকে হারিয়ে ২৭ মিলিয়ন ডলার ভিত্তিমূল্যের তরঙ্গ ৪৬ দশমিক সাত পাঁচ মিলিয়ন ডলারে কিনে নেয় গ্রামীণফোন। যদিও নিলামে অংশ নিয়েও কোন তরঙ্গ না কিনেই ফেরত গেছে সরকারি অপারেটর টেলিটক।

নিলাম শেষে জানানো হয়, গ্রামীণফোন দুটি ব্যান্ডে ১০ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ; রবি ৭ দশমিক ৬ মেগাহার্টজ ও বাংলালিংক কিনেছে নয় দশমিক ৪ মেগাহার্টজ।

তরঙ্গ কেনার ২৫ শতাংশ অর্থ পরিশোধ করতে হবে আগামী ২২ মার্চের মধ্যে। এরপরও বাড়তি তরঙ্গে সেবা দিতে সময় লাগবে আরো এক থেকে দেড় মাস।

নতুন তরঙ্গ নিয়ে গ্রামীণফোনের তরঙ্গ পরিমাণ বেড়ে দাড়িয়েছে ৪৭.৪ মেগাহার্টজ; রবির ৪৪ মেগাহার্টজ এবং বাংলালিংকের ৪০ মেগাহার্টজ।

নিলাম অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর একটি হোটেলে। বেলা ১১টায় শুরু হওয়া কার্যক্রম, শেষ হয় রাত সাড়ে ৮টায়। সর্বশেষ ৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনতে গ্রামীণফোন ও রবি প্রায় সাত ঘণ্টা লড়ে যায়।

নিলাম অুনষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো. আফজাল হোসেন, বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার, ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্রসহ সংস্থাটির কর্মকর্তা ও চার অপারেটরের প্রতিনিধিরা নিলামে উপস্থিত ছিলেন।

বিটিআরসির হিসাবে, বর্তমানে গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৮ কোটির কিছু বেশি। রবির গ্রাহক ৫ কোটি ১৫ লাখ। আর বাংলালিংকের গ্রাহক ৩ কোটি ৫৯ লাখ এবং টেলিটকের ৫৫ লাখ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঠেকাতে করণীয়

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
তীব্র গরমে মানুষের যেমন ভোগান্তিতে থাকে ঝামেলা হতে পারে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসেও। ডিভাইস গরম হয়র যায়, অফ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণের ঘটনা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তীব্র গরমে ঘরের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ঠান্ডা রাখবেন-
যে কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে গরম হয়ে যেতে পারে। তাই ব্যবহারের মাঝে কিছু সময় বিরতি দিন। ডিভাইস স্বাভাবিকের থেকে বেশি গরম হচ্ছে, তখনই ওই ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ করুন। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন সেট, ফ্রিজ, এসি, ফ্যান যে ডিভাইসই হোক না কেন বিরতি দিয়ে ব্যবহার করুন।

যেসব ডিভাইস প্লাগের সাহায্যে চালু রয়েছে, সেগুলো প্লাস থেকে খুলে নিন। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হবে ওই ডিভাইসে। এর পাশাপাশি সুইচের সাহায্যে যেসব ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করা সম্ভব, সেগুলোকে সুইচ অফ করে বন্ধ করুন। স্মার্টফোন গরম হতে থাকলে স্ক্রিন ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন। ফোন রাখুন এয়ারপ্লেন মোডে। এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপে কাজ বন্ধ রাখা প্রয়োজন। যে ডিভাইস গরম হয়ে যাচ্ছে সেটিকে এমন একটি পরিবেশে রাখুন যেটি তুলনামূলক ঠান্ডা।

অর্থাৎ তাপমাত্রা কম। ল্যাপটপ কিংবা ফোনে কভার থাকলে সেটা খুলে নিন। তার ফলে ডিভাইস গরম থাকলে তাপ নির্গত হবে সহজে। এসি ঘরে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারলে ভালো। ফোন বা ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না। ফোন চার্জে দিয়ে গেম খেললে বা স্ক্রল করলে ফোন দ্রুত গরম হতে পারে। এমনকি এ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে পারে।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ফ্যান যুক্ত কুলিং প্যাড ব্যবহার করুন। এই কুলিং প্যাডের উপর ল্যাপটপ রেখে ব্যবহার করতে পারলে ভালো। তাহলে মেশিন গরম হয়ে গেলেও নীচের কুলিং প্যাডে থাকা ফ্যানের সাহায্যে ডিভাইসের তাপ কমানো যাবে। বাড়িতে টিভি এবং গেমিং কনসোল থাকলে তার আশপাশে ফ্যান রাখুন। ফ্যানের হাওয়াতেও এইসব ডিভাইস অনেকটা ঠান্ডা থাকবে।

Continue Reading

Highlights

জেনে নিন ফেসবুক নাকি ইউটিউবে আয় বেশি?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেইসঙ্গে অনেকের কাছেই এটি অর্থ আয়ের একটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখন পেশাদারিভাবে ইউটিউব ও ফেসবুকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন। কোনো কোনো কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা উপার্জন করছেন।

মূলত মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ও ইউটিউব দুই জায়গা থেকেই ভালো টাকা আয় করা যায়। তবুও ক্রিয়েটরদের মধ্যে কেউ ফেসবুক, আবার কেউ ইউটিউবকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের থেকে বেশি পুরোনো ইউটিউব। এছাড়াও এখানে নানা বিষয়ের কনটেন্ট আপলোড হয়। যা নজর কাড়ে মানুষের। অন্যদিকে ইউটিউবে ভøগিং চ্যানেলের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কোন জায়গা থেকে সব থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় জানেন? ইউটিউব না ফেসবুক কে বেশি টাকা দেয়? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ ভিউয়ে ফেসবুকে ২৫০ থেকে ২৬০ ডলার আয় হয়ে থাকে। যেখানে ইউটিউবে ভিডিও অনুুযায়ী ২০০০ ডলারের বেশিও আয় করা যায়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইউটিউব এগিয়ে রয়েছে।

ফেসবুকে একাধিক মনিটাইজেশন টুল রয়েছে। যেমন- স্টার্স, ইন-ভিডিও পারচেস, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ইত্যাদি। অন্যদিকে ইউটিউবেও রয়েছে অসংখ্য মনিটাইজেশন টুল। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অধীনে একাধিক উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায়। যেমন – ইন-স্ট্রিম অ্যাড, স্পন্সরশিপ, সুপার চ্যাট ডোনেশন এবং চ্যানেল মেম্বারশিপ।

এক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব। কারণ ইউটিউবে এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইউটিউবে ডাটা ইউসেজও অনেক বেশি। প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ এমবি। যে কারণে ফেসবুকের থেকে মনিটাইজেসনের বিচারে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব।

Continue Reading

Highlights

রিয়েলফিল ক্যামেরা ফিচারের পরিধি বাড়াবে গুগল

Published

on

google

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) নতুন ফটোগ্রাফি ফিচার চালু করতে কাজ করছে গুগল। নতুন এ ফিচার বা প্রযুক্তির উন্নয়নে কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছে কোম্পানিটি। এটি ব্যবহারকারীদের ছবির রেজল্যুশন বাড়ানোর পাশাপাশি এডিটিংয়ে সহায়তা করবে। খবর গিজচায়না।

পাঁচটি রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে গুগলের নতুন ফিচারটি কাজ করবে বলে জানা গেছে। অফিশিয়াল বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, রিয়েলফিল ডাউনলোড করা যাবে না-এমন এআই সফটওয়্যারে আঁকা ছবি নিয়ে কাজের সুবিধা দেবে। এ ছাড়া অনলাইনেও অনুরূপ সুবিধা থাকবে, যেটি ব্যবহার করে জেনারেটিভ মডেল তৈরি করা যাবে। মূলত ফিচারটি ব্যবহারকারীদের যেকোনো ছবি সহজে সম্পাদনার সুযোগ দেবে।

একটি গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে রিয়েলফিলের এ প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছে। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম রেফারেন্স ড্রাইভেন জেনারেশন ফর অথেনটিক ইমেজ কমপ্লিশন। এখানে একাধিক রেফারেন্স থেকে কীভাবে মূল ছবি এডিট করা হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে। গুগলের দাবি রেফারেন্সে থাকা ছবি ব্যবহার করে ফিচারটি অন্য অ্যাপের তুলনায় ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

প্রযুক্তিবিদদের মতে, এআইনির্ভর ফটোগ্রাফি টুল হিসেবে রিয়েলফিল আকর্ষণীয় হলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত বেশকিছু ইমেজ জেনারেশন মডেলের তুলনায় এটি ধীরগতির। পিক্সেল স্মার্টফোন লাইনআপে নাইট সাইট মোডের মতো অ্যাডভান্সড কম্পিউট্যাশনাল ফটোগ্রাফি ফিচার যুক্ত করেছে গুগল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবিষ্যতে পিক্সেল ডিভাইস বা গুগল ফটোজ অ্যাপে চারটি যুক্ত করা হবে। যদি এটি যুক্ত হয় তখন ব্যবহারকারীরা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় সহজে ছবি সম্পাদনা করতে পারবেন।

Continue Reading

Trending