Connect with us

Highlights

ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা

Published

on

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেক এক্সপ্রেস:
ইউএনডিপির ‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ- ২০২০’-এর চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

এবারের চ্যালেঞ্জে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বিডি ফ্যাক্টচেক। করোনা মহামারীদের সম্মুখযোদ্ধা এবং আক্রান্তদের প্রতি সামাজিক হেয়প্রতিপন্নমূলক আচরণ (স্টিগমা) প্রতিরোধে নিজেদের প্রকল্প তুলে ধরার মাধ্যমে এ চ্যালেঞ্জে বিজয়ী হয়েছে বিডি ফ্যাক্টচেক।

প্রতিষ্ঠানটির সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিম চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ করে ১৪টি টিমকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয়।

এসময় প্রতিমন্ত্রী পলক বঙ্গবন্ধু আজীবন সহনশীল মনোভাবই লালন করে গেছেন বলে মন্তব্য করে বলেন, “আমরা যদি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন গভীরভাবে উপলব্ধি করি তাহলে দেখতে পাবো যে, তার জীবনের ৫৫টি বছর তিনি গণতন্ত্রের জন্য, একটি অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য নিবেদিত থেকেছেন। বঙ্গবন্ধু বলেছেন, ‘যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও সে একজনও যদি হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব।’ বঙ্গবন্ধুর এই কথার মধ্যে একটা সহনশীল মনোভাব প্রকাশ পায়। এই মনোভাবই তিনি সারা জীবন লালন করে গেছেন।”

চ্যাম্পিয়ন বিডি ফ্যাক্টচেকের নাম ঘোষণার আগে তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমি যাদের নাম ঘোষণা করবো তারা (বিডি ফ্যাক্টচেক) খুবই প্রয়োজনীয় একটি প্লাটফর্ম। এদের সম্পর্কে আমি আগেও শুনেছি। খুব ভালো কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও তাদেরকে আমাদের খুব প্রয়োজন। কারণ আমাদেরকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ’ নামে গত কয়েক বছর ধরে অনলাইন বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে তরুণদের সম্পৃক্তকরণের কাজ করে আসছে ইউএনডিপি।

সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির ডেপুটি রিপ্রেজেন্টিভ নগুয়েন দি এনগক ভ্যান। পুরো প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির প্রজেক্ট ম্যানেজার রবার্ট স্টলম্যান, আইসিটি ডিভিশনের টিনা জাবিন, ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সুমন রহমান এবং তাজিন শাহিদ।

অনুষ্ঠানের শেষপ্রান্তে দুই ক্যাটাগরিতে চারটি বিজয়ী গ্রুপের নাম ঘোষণা করা হয়। স্টার্ট-আপ ক্যাটাগরিতে প্রথম হয় বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বিডি ফ্যাক্টচেক। একই ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় স্বপ্নজয়কে। একইভাবে আইডিয়া পর্যায়ে প্রথম ও দ্বিতীয় হিসেবে নির্বাচিত হয় যথাক্রমে পাঁচফোড়ন ও স্বয়ং নামে দুটি প্রতিষ্ঠানের আইডিয়া।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঠেকাতে করণীয়

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
তীব্র গরমে মানুষের যেমন ভোগান্তিতে থাকে ঝামেলা হতে পারে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসেও। ডিভাইস গরম হয়র যায়, অফ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণের ঘটনা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তীব্র গরমে ঘরের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ঠান্ডা রাখবেন-
যে কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে গরম হয়ে যেতে পারে। তাই ব্যবহারের মাঝে কিছু সময় বিরতি দিন। ডিভাইস স্বাভাবিকের থেকে বেশি গরম হচ্ছে, তখনই ওই ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ করুন। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন সেট, ফ্রিজ, এসি, ফ্যান যে ডিভাইসই হোক না কেন বিরতি দিয়ে ব্যবহার করুন।

যেসব ডিভাইস প্লাগের সাহায্যে চালু রয়েছে, সেগুলো প্লাস থেকে খুলে নিন। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হবে ওই ডিভাইসে। এর পাশাপাশি সুইচের সাহায্যে যেসব ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করা সম্ভব, সেগুলোকে সুইচ অফ করে বন্ধ করুন। স্মার্টফোন গরম হতে থাকলে স্ক্রিন ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন। ফোন রাখুন এয়ারপ্লেন মোডে। এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপে কাজ বন্ধ রাখা প্রয়োজন। যে ডিভাইস গরম হয়ে যাচ্ছে সেটিকে এমন একটি পরিবেশে রাখুন যেটি তুলনামূলক ঠান্ডা।

অর্থাৎ তাপমাত্রা কম। ল্যাপটপ কিংবা ফোনে কভার থাকলে সেটা খুলে নিন। তার ফলে ডিভাইস গরম থাকলে তাপ নির্গত হবে সহজে। এসি ঘরে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারলে ভালো। ফোন বা ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না। ফোন চার্জে দিয়ে গেম খেললে বা স্ক্রল করলে ফোন দ্রুত গরম হতে পারে। এমনকি এ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে পারে।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ফ্যান যুক্ত কুলিং প্যাড ব্যবহার করুন। এই কুলিং প্যাডের উপর ল্যাপটপ রেখে ব্যবহার করতে পারলে ভালো। তাহলে মেশিন গরম হয়ে গেলেও নীচের কুলিং প্যাডে থাকা ফ্যানের সাহায্যে ডিভাইসের তাপ কমানো যাবে। বাড়িতে টিভি এবং গেমিং কনসোল থাকলে তার আশপাশে ফ্যান রাখুন। ফ্যানের হাওয়াতেও এইসব ডিভাইস অনেকটা ঠান্ডা থাকবে।

Continue Reading

Highlights

জেনে নিন ফেসবুক নাকি ইউটিউবে আয় বেশি?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেইসঙ্গে অনেকের কাছেই এটি অর্থ আয়ের একটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখন পেশাদারিভাবে ইউটিউব ও ফেসবুকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন। কোনো কোনো কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা উপার্জন করছেন।

মূলত মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ও ইউটিউব দুই জায়গা থেকেই ভালো টাকা আয় করা যায়। তবুও ক্রিয়েটরদের মধ্যে কেউ ফেসবুক, আবার কেউ ইউটিউবকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের থেকে বেশি পুরোনো ইউটিউব। এছাড়াও এখানে নানা বিষয়ের কনটেন্ট আপলোড হয়। যা নজর কাড়ে মানুষের। অন্যদিকে ইউটিউবে ভøগিং চ্যানেলের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কোন জায়গা থেকে সব থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় জানেন? ইউটিউব না ফেসবুক কে বেশি টাকা দেয়? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ ভিউয়ে ফেসবুকে ২৫০ থেকে ২৬০ ডলার আয় হয়ে থাকে। যেখানে ইউটিউবে ভিডিও অনুুযায়ী ২০০০ ডলারের বেশিও আয় করা যায়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইউটিউব এগিয়ে রয়েছে।

ফেসবুকে একাধিক মনিটাইজেশন টুল রয়েছে। যেমন- স্টার্স, ইন-ভিডিও পারচেস, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ইত্যাদি। অন্যদিকে ইউটিউবেও রয়েছে অসংখ্য মনিটাইজেশন টুল। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অধীনে একাধিক উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায়। যেমন – ইন-স্ট্রিম অ্যাড, স্পন্সরশিপ, সুপার চ্যাট ডোনেশন এবং চ্যানেল মেম্বারশিপ।

এক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব। কারণ ইউটিউবে এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইউটিউবে ডাটা ইউসেজও অনেক বেশি। প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ এমবি। যে কারণে ফেসবুকের থেকে মনিটাইজেসনের বিচারে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব।

Continue Reading

Highlights

রিয়েলফিল ক্যামেরা ফিচারের পরিধি বাড়াবে গুগল

Published

on

google

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) নতুন ফটোগ্রাফি ফিচার চালু করতে কাজ করছে গুগল। নতুন এ ফিচার বা প্রযুক্তির উন্নয়নে কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছে কোম্পানিটি। এটি ব্যবহারকারীদের ছবির রেজল্যুশন বাড়ানোর পাশাপাশি এডিটিংয়ে সহায়তা করবে। খবর গিজচায়না।

পাঁচটি রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে গুগলের নতুন ফিচারটি কাজ করবে বলে জানা গেছে। অফিশিয়াল বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, রিয়েলফিল ডাউনলোড করা যাবে না-এমন এআই সফটওয়্যারে আঁকা ছবি নিয়ে কাজের সুবিধা দেবে। এ ছাড়া অনলাইনেও অনুরূপ সুবিধা থাকবে, যেটি ব্যবহার করে জেনারেটিভ মডেল তৈরি করা যাবে। মূলত ফিচারটি ব্যবহারকারীদের যেকোনো ছবি সহজে সম্পাদনার সুযোগ দেবে।

একটি গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে রিয়েলফিলের এ প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছে। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম রেফারেন্স ড্রাইভেন জেনারেশন ফর অথেনটিক ইমেজ কমপ্লিশন। এখানে একাধিক রেফারেন্স থেকে কীভাবে মূল ছবি এডিট করা হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে। গুগলের দাবি রেফারেন্সে থাকা ছবি ব্যবহার করে ফিচারটি অন্য অ্যাপের তুলনায় ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

প্রযুক্তিবিদদের মতে, এআইনির্ভর ফটোগ্রাফি টুল হিসেবে রিয়েলফিল আকর্ষণীয় হলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত বেশকিছু ইমেজ জেনারেশন মডেলের তুলনায় এটি ধীরগতির। পিক্সেল স্মার্টফোন লাইনআপে নাইট সাইট মোডের মতো অ্যাডভান্সড কম্পিউট্যাশনাল ফটোগ্রাফি ফিচার যুক্ত করেছে গুগল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবিষ্যতে পিক্সেল ডিভাইস বা গুগল ফটোজ অ্যাপে চারটি যুক্ত করা হবে। যদি এটি যুক্ত হয় তখন ব্যবহারকারীরা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় সহজে ছবি সম্পাদনা করতে পারবেন।

Continue Reading

Trending