Connect with us

Tips & Tricks

জি-মেইল থেকে বড় ফাইল ডিলিটের নিয়ম

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। প্রতিনিয়ত অনেকে কোনো না কোনো কিছু গুগলে সার্চ করছেন। ব্যবহার করছেন গুগলের ওয়েব ব্রাউজার গুগল ক্রোম। গুগলের পক্ষ থেকে ব্যবহারকারীকে ফ্রি ১৫ জিবি স্টোরেজ দেওয়া হয়ে থাকে। তবে কয়েকদিনের মধ্যেই সেই স্টোরেজ ফুল হয়ে যায়।

তিনটি জি-মেইল অ্যাকাউন্ট থাকলে ৪৫ জিবি স্টোরেজ ফ্রি পাওয়া যায়। বাড়তি স্টোরেজ পাওয়ার ক্ষেত্রে এটিও একটি উপায়। তবে গুচ্ছের মেইল, অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও অ্যাটাচমেন্ট, ছবি, ভিডিও সব মিলিয়ে স্টোরেজ ভরে যায় গুগল ড্রাইভের। তবে চাইলে কিন্তু জি-মেইলে ১০ এমবির বড় ফাইলগুলো একসঙ্গে ডিলিট করতে পারবেন।

জি-মেইলে একসঙ্গে ১০ এমবির বেশি ফাইল ডিলিট করবেন যেভাবে :গুগল জি-মেইল ওপেন করুন। সার্চ বারে টাইপ করুন-has:attachment larger:10MB। তারপর যে ই-মেইলে ১০ এমবির বেশি অ্যাটাচমেন্ট থাকবে সেগুলো চলে আসবে। তারপর প্রয়োজনীয় ফাইল রেখে বাকিগুলো রিডিলিট করে দিতে পারেন। অন্যদিকে ড্রাইভে বড় ফাইলগুলো ডিলিট করতে চাইলে :প্রথমে গুগল ড্রাইভে লগ ইন করুন। তারপর ওপরে থ্রি লাইন ডটে ক্লিক করে, স্টোরেজ অপশনে ক্লিক করুন। এবার এখানে ‘ফ্রি আপ স্পেস’ নামে একটি অপশন থাকবে সেখানে ট্যাপ করুন। এখানে দেখতে পাবেন কোথায় কত স্টোরেজ ব্যবহার হয়েছে। তারপর ‘স্টোরেজ ম্যানেজার’-এর অধীনে যেখান থেকে স্টোরেজ খালি করতে চান ক্লিক করুন। এবার একে একে সেগুলো ক্লিয়ার করলেই অনেকটা জায়গা বেঁচে যাবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Entrepreneur

ইউটিউবের হঠাৎ করে আয় কমে যাওয়ার কারণ কী?

Published

on

ইউটিউবের হঠাৎ করে আয় কমে যাওয়ার কারণ বিভিন্ন হতে পারে। নির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণের জন্য একাধিক দিক বিশ্লেষণ করা অপরিহার্য। YouTube-এ বিজ্ঞাপনের আয়ের ওঠানামার কিছু সাধারণ কারণ হল-

ডিমনিটাইজেশন: YouTube-এর সম্প্রদায় নির্দেশিকা, পরিষেবার শর্তাবলী, বা বিজ্ঞাপন নীতিগুলি লঙ্ঘন করে এমন ভিডিওগুলি demonetized বা সীমিত নগদীকরণ হতে পারে৷ এর ফলে প্রভাবিত ভিডিও বা চ্যানেলের বিজ্ঞাপনের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।

বিষয়বস্তু পরিবর্তন: আপনার বিষয়বস্তুর ধরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলে, এটি বিজ্ঞাপনের প্রাসঙ্গিকতা এবং দর্শকদের অংশগ্রহণকে প্রভাবিত করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতারা নির্দিষ্ট জনসংখ্যা বা বিষয়বস্তু বিভাগকে লক্ষ্য করতে পারে এবং আপনার বিষয়বস্তুর পরিবর্তনগুলি বিজ্ঞাপন বসানোকে প্রভাবিত করতে পারে।

ভিউয়ার এনগেজমেন্ট: ভিউয়ার এনগেজমেন্টের ওঠানামা, যেমন ভিউ, দেখার সময় বা ক্লিক-থ্রু রেট কমে যাওয়া, বিজ্ঞাপনের আয়কে প্রভাবিত করতে পারে। উচ্চ ব্যস্ততা আরও বিজ্ঞাপনদাতাদের আকর্ষণ করে।

বাজারের চাহিদা: বিজ্ঞাপনের আয় বাজারের চাহিদা এবং বিজ্ঞাপনদাতার বাজেট দ্বারা প্রভাবিত হয়। অর্থনৈতিক অবস্থা, মৌসুমী প্রবণতা, বা শিল্প-নির্দিষ্ট কারণগুলি বিজ্ঞাপনের সামগ্রিক চাহিদাকে প্রভাবিত করতে পারে, রাজস্বকে প্রভাবিত করে।

বিজ্ঞাপনদাতা কৌশল পরিবর্তন: বিজ্ঞাপনদাতারা তাদের কৌশল, বাজেট, বা লক্ষ্য পছন্দ সমন্বয় করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতার আচরণে পরিবর্তন প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপনের ইনভেন্টরির প্রাপ্যতা এবং মানকে প্রভাবিত করতে পারে।

অ্যালগরিদম পরিবর্তন: YouTube প্রায়ই বিষয়বস্তু সুপারিশ এবং বিজ্ঞাপন প্লেসমেন্টের জন্য তার অ্যালগরিদম আপডেট করে। অ্যালগরিদম পরিবর্তনগুলি বিজ্ঞাপনের দৃশ্যমানতা এবং কর্মক্ষমতা প্রভাবিত করতে পারে, রাজস্ব প্রভাবিত করে।

অ্যাড ব্লকার: যে ব্যবহারকারীরা অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করেন তারা বিজ্ঞাপন প্রদর্শন রোধ করে বিজ্ঞাপনের আয়কে প্রভাবিত করতে পারেন। বিজ্ঞাপনদাতারা এমন ইম্প্রেশনের জন্য অর্থ প্রদান করতে কম ইচ্ছুক হতে পারে যা দর্শকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দ্বারা দেখা যায় না।

বাজার প্রতিযোগিতা: বিজ্ঞাপন স্থানের জন্য সামগ্রী নির্মাতাদের মধ্যে বর্ধিত প্রতিযোগিতা বিজ্ঞাপনের হারকে প্রভাবিত করতে পারে। উচ্চ প্রতিযোগীতামূলক কুলুঙ্গিতে থাকা চ্যানেলগুলি আয়ের ওঠানামা অনুভব করতে পারে।

বিজ্ঞাপনের গুণমান: বিজ্ঞাপনদাতারা তাদের বিজ্ঞাপনের গুণমান, প্রাসঙ্গিকতা বা লক্ষ্যমাত্রা পরিবর্তন করতে পারে। উচ্চ-মানের, লক্ষ্যযুক্ত বিজ্ঞাপনগুলি দর্শকদের আকৃষ্ট করার এবং রাজস্ব উৎপন্ন করার সম্ভাবনা বেশি।

বৈশ্বিক ঘটনা বা সংকট: বাহ্যিক কারণ, যেমন বৈশ্বিক ঘটনা বা অর্থনৈতিক সংকট, বিজ্ঞাপনের বাজেট এবং বাজারের গতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতারা অনিশ্চয়তার সময় ব্যয় সামঞ্জস্য করতে পারে।

দর্শকের ভূগোল: আপনার দর্শকদের ভৌগলিক অবস্থান বিজ্ঞাপনের হারকে প্রভাবিত করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতারা অঞ্চলের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন হার দিতে পারে এবং দর্শক জনসংখ্যার পরিবর্তন রাজস্বকে প্রভাবিত করতে পারে।

আপনি যদি YouTube বিজ্ঞাপনের আয়ে হঠাৎ করে হ্রাস লক্ষ্য করেন, তাহলে উপরে উল্লিখিত কারণগুলি তদন্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। দর্শকদের আচরণে পরিবর্তনগুলি বুঝতে, সামগ্রীর কার্যকারিতা নিরীক্ষণ করতে এবং বিজ্ঞাপন নগদীকরণের স্থিতি বা নীতি লঙ্ঘন সম্পর্কিত যে কোনও বিজ্ঞপ্তি পর্যালোচনা করতে YouTube Analytics ব্যবহার করুন।

Continue Reading

Highlights

ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঠেকাতে করণীয়

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
তীব্র গরমে মানুষের যেমন ভোগান্তিতে থাকে ঝামেলা হতে পারে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসেও। ডিভাইস গরম হয়র যায়, অফ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণের ঘটনা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তীব্র গরমে ঘরের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ঠান্ডা রাখবেন-
যে কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে গরম হয়ে যেতে পারে। তাই ব্যবহারের মাঝে কিছু সময় বিরতি দিন। ডিভাইস স্বাভাবিকের থেকে বেশি গরম হচ্ছে, তখনই ওই ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ করুন। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন সেট, ফ্রিজ, এসি, ফ্যান যে ডিভাইসই হোক না কেন বিরতি দিয়ে ব্যবহার করুন।

যেসব ডিভাইস প্লাগের সাহায্যে চালু রয়েছে, সেগুলো প্লাস থেকে খুলে নিন। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হবে ওই ডিভাইসে। এর পাশাপাশি সুইচের সাহায্যে যেসব ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করা সম্ভব, সেগুলোকে সুইচ অফ করে বন্ধ করুন। স্মার্টফোন গরম হতে থাকলে স্ক্রিন ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন। ফোন রাখুন এয়ারপ্লেন মোডে। এছাড়াও অপ্রয়োজনীয় অ্যাপে কাজ বন্ধ রাখা প্রয়োজন। যে ডিভাইস গরম হয়ে যাচ্ছে সেটিকে এমন একটি পরিবেশে রাখুন যেটি তুলনামূলক ঠান্ডা।

অর্থাৎ তাপমাত্রা কম। ল্যাপটপ কিংবা ফোনে কভার থাকলে সেটা খুলে নিন। তার ফলে ডিভাইস গরম থাকলে তাপ নির্গত হবে সহজে। এসি ঘরে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারলে ভালো। ফোন বা ল্যাপটপ চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না। ফোন চার্জে দিয়ে গেম খেললে বা স্ক্রল করলে ফোন দ্রুত গরম হতে পারে। এমনকি এ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে পারে।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ফ্যান যুক্ত কুলিং প্যাড ব্যবহার করুন। এই কুলিং প্যাডের উপর ল্যাপটপ রেখে ব্যবহার করতে পারলে ভালো। তাহলে মেশিন গরম হয়ে গেলেও নীচের কুলিং প্যাডে থাকা ফ্যানের সাহায্যে ডিভাইসের তাপ কমানো যাবে। বাড়িতে টিভি এবং গেমিং কনসোল থাকলে তার আশপাশে ফ্যান রাখুন। ফ্যানের হাওয়াতেও এইসব ডিভাইস অনেকটা ঠান্ডা থাকবে।

Continue Reading

Tips & Tricks

জেনে নিন প্রয়োজনীয় কিছু কি-বোর্ড শর্টকাট

Published

on

shortcut

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কম্পিউটারে কাজ করার সময় মাউসের ক্লিক বা ড্র্যাগ করার ঝামেলা অনেকাংশে কমানো সম্ভব, যদি কিছু শর্টকাট নিয়ম জানা থাকে। এতে একদিকে যেমন সময় সাশ্রয় হয়, তেমনি কাজ করতেও আনন্দ পাওয়া যায়।

আজ জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু শর্টকাট সম্পর্কে-
উইন্ডোতে থাকা কোনো একটি ট্যাব আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভুল করে কিংবা কোনোভাবে চাপ লেগে সেটা ক্লোজ হয়ে গেলে চিন্তা নেই, ক্লোজ করা ট্যাব ফিরে পেতে আপনাকে কন্ট্রোল (কিংবা ম্যাকের ক্ষেত্রে ‘কমান্ড’)+শিফট+টি (T) চাপতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে সর্বশেষ যে ট্যাবটি ক্লোজ করা হয়েছে সেটি ফিরে আসবে। আর পরপর এগুলো চাপতে থাকলে ক্লোজ হওয়া সব ট্যাব একে একে আসতে থাকবে। এবার ধরে নিন, আপনি শুধু স্ক্রিনের একটি নির্দিষ্ট অংশের স্ক্রিনশট নিতে চান। উইন্ডোজ কিংবা ম্যাকে আপনি খুব সহজেই এটা করতে পারবেন। ম্যাকের ক্ষেত্রে কমান্ড+শিফট+৪ চাপুন। তারপর যে জায়গাটির আপনি স্ক্রিনশট নিতে চান সেটা এখানে ড্র্যাগ করুন। হয়ে যাবে আপনার স্ক্রিনশট।

আর উইন্ডোজের ক্ষেত্রে: এই কাজটি করার জন্য আপনাকে স্টার্ট অপশনে যাওয়ার পর স্নিপিং টুলে (Snipping Tool) প্রবেশ করতে হবে। ভাবুন তো, মাত্র এক চাপেই আপনি ব্রাউজারে একটি নতুন লিংক খুলতে চান। কী করবেন? একেবারেই সহজ উপায়ে আপনি এটা করতে পারেন। যে লিংকটি খুলতে চান তার ওপরে কার্সর রেখে মাউসের মাঝখানের বাটনটি চাপুন। দেখবেন নতুন একটি ট্যাবে লিংকটি চালু হয়েছে। আবার চালু হওয়া লিংকটির যেকোনো জায়গায় কার্সর রেখে মাউসের মাঝখানের বাটন চাপলেই সেটা ক্লোজ হয়ে যাবে।

যারা কম্পিউটার ব্যবহার করেন তারা বিভিন্ন সময় ইউটিউব ব্যবহার করে থাকেন। আমরা জানি ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় স্পেস বাটন চাপ দিলে সেটা থেমে যায় বা পজ হয়। তবে সেই ভিডিওতে যদি আগে ক্লিক করা না হয়ে থাকে তাহলে স্পেস বাটন চাপ দিলে ভিডিও থেমে যাওয়ার পরিবর্তে পেজটি নিচে নেমে যায়। এ ক্ষেত্রে আপনি যদি ক বাটনে চাপ দেন তাহলে তা ইউটিউবের ভিডিও পজ এবং প্লে করতে কাজ করবে। স্পেস বাটনের কোনো প্রয়োজন হবে না সেখানে।

এ ছাড়াও ইউটিউবের ভিডিওর ক্ষেত্রে J চাপ দিলে ১০ সেকেন্ড ব্যাকওয়ার্ড হবে এবং L চাপ দিলে ১০ সেকেন্ড ফরওয়ার্ড হবে। আপনার উইন্ডোকে স্ক্রিনের যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে চাইলে কি-বোর্ডের উইন্ডোজ বাটনে চাপ দিয়ে ধরে ডান, বাম, ওপর, নিচ যেকোনো একটি তীর চিহ্নে চাপ দিলেই উইন্ডো নির্দিষ্ট জায়গায় চলে যাবে।

Continue Reading

Trending