Connect with us

Tips & Tricks

কম্পিউটার ঠান্ডা রাখার ৭ উপায়

Published

on

নিউজবিডি ডেস্ক: আমার দৈনন্দিন জীবনে এখন অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে কম্পিউটার। নানা প্রয়োজনে দীর্ঘসময় কম্পিউটার চালু রাখতে হয়। তবে সব কম্পিউটারই চলা অবস্থায় গরম হয়। অতিরিক্তি গরম হলে কম্পিউটারের বড় ধরনের ক্ষতিও হয়ে যেতে পারে। তাই পিসি ঠান্ডা রাখা খুবই জরুরি। চলুন দেখে নেওয়া যাক পিসি ঠান্ডা রাখার ৭ কার্যকর উপায়।

১. পিসির বায়ুছিদ্রগুলো দিয়ে বাতাস বেরিয়ে যেতে দিন। পিসি যদি দেয়ালের পাশে থাকে, তাহলে পিসিটি দেয়াল থেকে অন্তত কয়েক ইঞ্চি দূরে রাখা উচিত। তা ছাড়া টেবিল বা ডেস্কের নিচের অংশে রাখলে সেই অংশের দরজা বা ঢাকনা যেন খোলা থাকে।

২. পিসির কেসিং বন্ধ রাখুন। অনেকে মনে করে থাকেন, যেহেতু পিসির কেসিংয়ের বায়ুছিদ্র গরম বাতাস বের হতে সাহায্য করে, সেহেতু কেসিংয়ের সম্পূর্ণ ঢাকনা খোলা রাখলে নিশ্চয়ই গরম বাতাস আরো ভালোভাবে বের হয়ে যাবে। যুক্তি ঠিক আছে! কিন্তু ঢাকনা খোলা রাখলে বাতাস বেশি বের হওয়ার পাশাপাশি আপনার সিপিইউতে ধুলাবালি বেশি পরিমাণে ঢুকবে। এতে আপনার কুলিং ফ্যান জ্যাম হয়ে বাতাস প্রবাহ আরো কমিয়ে দেবে।

৩. পিসি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। জমে থাকা ধুলাবালি যেহেতু ফ্যান জ্যাম করে দেয়, তাই এসব নিয়মিত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত বিরতিতে পিসির কেসিং খুলে সম্পূর্ণটা পরিষ্কার করা উচিত।

৪. সিপিইউ কেসিং বা পিএসইউয়ের সঙ্গে কুলিং ফ্যান অনেক সময় দেওয়াই থাকে। কিন্তু এই কুলিং ফ্যানগুলো খুব বেশি শক্তিশালী হয় না। তাই আরো ভালো পারফরম্যান্স চাইলে আলাদা এক বা একাধিক ভালো মানের কুলিং ফ্যান সিপিইউতে লাগাতে পারেন।

৫. আধুনিক শক্তিশালী পিসিগুলোর ক্ষেত্রে শুধু ফ্যান দিয়ে বাতাস বাইরে পার করে দেওয়াই যথেষ্ট নয়; এ জন্য আপনি ওয়াটার কুলিং সিস্টেম ইনস্টল করতে পারেন, যা পানির মাধ্যমে তাপ শোষণ করে এবং এটা অনেক বেশি কার্যকর।

৬. ফেইজ চেঞ্জ ইউনিট একটি অত্যাধুনিক কুলিং টেকনোলজি। এটি মূলত সিপিইউর জন্য এক ধরনের রেফ্রিজারেটরের কাজ করে।

৭. পিসির ওভারক্লকিং না করাই ভালো। যারা সিপিইউকে ওভারক্লকিং করেন, তারা যদি পিসি ঠান্ডা রাখতে চান, তাহলে ওভারক্লকিং (বিশেষ উপায়ে অস্বাভাবিক বেশি পারফরম্যান্স আদায় করা) এখনই বন্ধ করুন। কারণ ওভারক্লকিং সরাসরি পিসির কর্মদক্ষতার ওপর প্রভাব ফেলে এবং এতে আপনার পিসি অনেক বেশি তাপ উৎপন্ন করে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

ব্যবহারে ৩ ভুলে হ্যাক হতে পারে স্মার্টফোন

Published

on

সারাক্ষণ স্মার্টফোনে বুঁদ হয়ে আছেন। বস বয়সী নারী-পুরুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন। দূর-দূরান্তে অডিও-ভিডিওতে কথা বলা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কিংবা গেম খেলা নানান কাজে স্মার্টফোনের বিকল্প কমই আছে। বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন দূরে রেখে এক মুহূর্তও কাটানো সম্ভব নয়।

তবে হ্যাকারদের জন্য স্মার্টফোন সুরক্ষা এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যতই প্রযুক্তি উন্নত হচ্ছে সঙ্গে হ্যাকাররা নতুন উপায় খুঁজে নিচ্ছে হ্যাকিংয়ের। স্মার্টফোন হ্যাক করে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য, ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও, জরুরি ফাইল চুরি করছে। এরপর সেগুলো বিক্রি করে দিচ্ছে বিভিন্ন সংস্থার কাছে কিংবা ব্যবহারকারীকে ব্ল্যাকমেইল করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তবে জানেন কি, সহজে বহনযোগ্য এই ডিভাইসটি ব্যবহারের ভুলেই হতে পারে হ্যাক।

হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন, আপনার ব্যবহারের সামান্য কিছু ভুলের কারণে হ্যাকারদের হাতে চলে যেতে পারে ব্যক্তিগত তথ্য। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন তিনটি ভুল ব্যবহার সম্পর্কে-

ফোন রোটেট করা-
অনেক সময় বই পড়তে কিংবা সিনেমা, নাটক দেখার সময় ফোন রোটেট করেন। আরও বিভিন্ন ফিচার ব্যবহারের জন্য রোট করে নেন স্মার্টফোনটি। সুরক্ষিতভাবে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে চাইলে ফোন রোটেট করবেন না। ফোন রোট থাকলে হ্যাকারদের হাতে এমন অনেক ফাইল চলে যেতে পারে যার ফলে নিমেষে ফাঁকা হয়ে যেতে পারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট।

ফোনের অ্যাপ আপডেট করুন-
অনেকেই স্মার্টফোনের অ্যাপ আপডেট করেন না। ফোনের স্টোরেজের কথা ভেবেই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি এড়িয়ে যান। তবে আপনার এই ভুলে খুব সহজেই পুরোনো অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে স্মার্টফোন হ্যাক হয়ে যেতে পারে। অ্যাপ্লিকেশনের পুরোনো ভার্সনের মধ্যে কিন্তু বাগ থেকে যাওয়া কোনো অবাক কাণ্ড নয়। মোবাইলে খুব পুরোনো কোনো অ্যাপ থাকলে এবং তা যদি বহু বছর তার কোনো আপডেট না এলে, সেই অপ্রয়োজনীয় অ্যাপটি আনইনস্টল করে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

অ্যাপ ডাউনলোডে সতর্কতা-
অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা ইনবক্সে শেয়ার করা লিংক থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করেন। ভুলেও একি কাজটি করবেন না। অ্যাপের মতো দেখতে বিভিন্ন ভুয়া অ্যাপ্লিকেশন বা স্পাইওয়ার ঘুরে বেড়াচ্ছে ব্রাউজার বা বিভিন্ন জায়গায়। সেসব একবার নামিয়ে ফেললেই কিন্তু সর্বনাশ। সেসব অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমেই চুরি যেতে পারে আপনার ব্যাংকের পাসওয়ার্ডের মতো বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তাই অ্যাপ নামানোর সময়ে সতর্ক থাকুন। কোনো থার্ড পার্টি অ্যাপ ডাউনলোডের সময় গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোরের মতো অথোরাইজড জায়গা থেকেই ডাউনলোড করুন। সূত্র: গ্যাজেটস নাও

Continue Reading

Highlights

ট্রুকলারে নিজের নাম একেবারে মুছে ফেলবেন যেভাবে

Published

on

ব্যবহারকারীদের জন্য একের পর এক স্মার্টফোন অ্যাপ সহজ করছে ব্যবহার পদ্ধতি। এরমধ্যে সবচেয়ে দরকারী এবং জনপ্রিয় অ্যাপ হচ্ছে ট্রুকলার। অপরিচিত নম্বরগুলো শনাক্ত করার জন্য এই অ্যাপ বেশ জনপ্রিয়। কোনো অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলে ট্রুকলারের মাধ্যমে সহজেই সেই কলারের পরিচয় জেনে নেওয়া যায়।

এই ফিচারই অল্পদিনের মধ্যে দুর্দান্ত জনপ্রিয় করে তুলেছিল ট্রুকলারকে। একদিকে যেমন আপনি অজানা নম্বর ট্রুকলার থেকে দেখছেন, অন্যদিকে আপনার ফোন নম্বরও ফোনের অন্য প্রান্তে ট্রুকলারে ভেসে ওঠে। ফলে আপনার পরিচয় সহজেই জেনে নিতে পারে যে কেউ। চাইলে ট্রুকলার থেকে নিজের নাম ডিলিট করতে পারবেন-

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন থেকে যেভাবে করবেন-

  • আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ট্রুকলার অ্যাপ লগ ইন করুন।
  • এবার সেটিংসে গিয়ে প্রাইভেট সেন্টার অপশনে ক্লিক করুন।
  • এখানে ডিঅ্যাক্টিভ অপশন দেখতে পাবেন। এই অপশনটি সিলেক্ট করে দিন।

আইফোনে যেভাবে কাজটি করবেন-

  • প্রথমে আপনার আইফোন থেকে ট্রুকলার অ্যাপ ওপেন করুন।
  • এবার প্রোফাইল ছবিতে ট্যাপ করুন।
  • এরপর সেটিংসে গিয়ে প্রাইভেসি সেন্টার ক্লিক করুন।
  • সেখানেই পাবেন ডিঅ্যাক্টিভ অপশন। সিলেক্ট করলেই কাজ শেষ।

তবে এরপরও আপনার নাম ট্রুকলার ডেটাবেসে থেকে যেতে পারে। তাই নিজের নাম ট্রুকলার থেকে আনলিস্ট করতে হবে। এজন্য www.truecaller.com/unlisting ওয়েবসাইট ওপেন করুন। এখানে এইএসডি কোডসহও মোবাইল নম্বর এন্টার করুন। এর পরে সিলেক্ট করুন আনলিস্ট। সূত্র: গ্যাজেট ৩৬০

Continue Reading

Tips & Tricks

ইন্টারনেট স্পিড বাড়নোর উপায় কী?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
প্রযুক্তি নির্ভর দুনিয়ায় এক মুহূর্তও আমাদের চলে না স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ছাড়া। সিম কোম্পানিগুলোর লোভনীয় সব ইন্টারনেট অফার ছাড়াও সবাই বাসায় লাগামহীন ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য বাড়িতে ওয়াইফাই ব্যবহার করেন। তাতেও বাধে বিপত্তি। গতি কম থাকার কারণে জরুরি কাজ সাড়তে অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে রাউটারের সেটআপে সামান্য পরিবর্তন করলেই আপনার ঘরের ইন্টারনেট স্পিড বাড়বে। ঘরের সঠিক জায়গায় রাউটার সেটআপ করতে হবে। ভুল জায়গায় রাউটার ইনস্টল করলে ইন্টারনেট স্পিড কম পাবেন। তাই ওয়াইফাই রাউটার সেট করার সময় কয়েকটি নিয়ম জানা অবশ্যই জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক রাউটার সেটআপে কী পরিবর্তন করবেন।

>> রাউটার সবসময় চেষ্টা করুন ঘরের মাঝামাঝি কোথাও স্থাপন করতে। ভুলেও ঘরের কোণায় সেট করবেন না। কোণায় সেট করলে দুই দিকে দেওয়াল থাকার কারণে শুরুতেই ওয়াইফাই সিগন্যাল বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে অনেকটাই ইন্টারনেটের স্পিড কমে যায়।
>> সবসময় এমন জায়গায় রাউটার রাখুন যেখানে আশপাশে কোনো দেওয়াল নেই। তাহলে খুব সহজেই পুরো বাড়িতে হাই স্পিড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
>> ব্রডব্যান্ড রাউটার কখনো মেঝেতে রাখবেন না। রাউটারের ভালো স্পিড পেতে উঁচু জায়গায় রাউটার সেট করুন। বাড়ির সব প্রান্তে হাই স্পিড ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। যদি মেঝেতে রাখতেই হয় তাহলে ফাঁকা জায়গায় রাউটার রাখুন।
>> ইন্টারনেট স্পিড ভালো পেতে যে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে রাউটার দূরে রাখুন। টিভি, কম্পিউটার, রেডিও, কর্ডলেস ফোন রাউটারের সিগন্যালকে দুর্বল করে দিতে পারে। ফলে কমে যেতে পারে ইন্টারনেটের স্পিড। তাই ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে অন্তত কয়েক ফুট দূরে সেট করুন রাউটারটি।
>> বড় আসবাবের থেকে দূরে রাখুন এই রাউটার। যেমন- উঁচু আলমারি, খাট অথবা অন্য বড় আসবাবের পাশে রাউটার সেট করলে ওয়াইফাই সিগন্যাল বাধা পাবে। ফলে পুরো বাড়তে হাই স্পিড ইন্টারনেট পাবেন না। তাই এসব আসবাবপত্র থেকে রাউটার দূরে রাখুন। সূত্র: অ্যাক্টক্রোপ

Continue Reading

Trending