Connect with us

Highlights

ওয়েবসাইটের ডিএনএস বিভ্রাট কি, কেন হয় এই বিভ্রাট?

Published

on

নিউজ ডেস্ক:
হোস্টিং সেবাদানকারী আকামাই কোম্পানির কারিগরি বিভ্রাটের কারণে বিশ্বের বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্স, ব্যাংক, সংবাদমাধ্যম এবং টেক কোম্পানির ওয়েবসাইট বৃহস্পতিবার সাময়িক জটিলতায় পড়ে। জটিলতায় পড়া ওয়েবসাইটগুলোতে এসময় ‘ডিএনএস সার্ভিস এরর’ নোটিস দেখানো হচ্ছিল।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার আগে আগে ওই সমস্যার শুরু হয়। ফলে প্রায় আধা ঘণ্টা এয়ারবিএনবি, ডেল্টা এয়ারলাইন্স, কস্টকো হোলসেল করপোরেশন, হোম ডিপো, আমেরিকান এক্সপ্রেসসহ জনপ্রিয় দুই ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো এবং ক্রিকবাজের ওয়েবসাইটে ঢোকা যায়নি। রয়টার্স।

পাঠকদের জন্য আমাদের আজকের আয়োজন ডিএনএস বা ডোমেইন নেম সিস্টেম বিভ্রাট নিয়ে। আগে জেনে নেওয়া যাক ডিএনএস কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে।

DNS (Domain Name System) কি?

ডোমেইন নেম সিস্টেম হল এমন একটি প্রযুক্তি যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং ইন্টারনেটের অন্যান্য স্থানে সংযুক্ত করে। উদাহরণস্বরূপ আপনার মোবাইলের ফোন বুক এর এন্ট্রিকে ধরা যেতে পারে যেখানে আমরা প্রত্যেকটি নাম্বার এর স্থানে ব্যক্তি বিশেষের নাম দিয়ে শনাক্ত করে থাকি। একইভাবে ডিএনএস এর রেকর্ডগুলি পরীক্ষা করে এবং তারপরে আপনার কম্পিউটারকে ওয়েব সাইটটি কোথায় রয়েছে তা বলে। DNS (ডিএনএস) বিভিন্ন ধরণের অনুবাদক হিসাবেও কাজ করে। এটি মানব-পঠনযোগ্য ডোমেনগুলি নেয় (যেমন, www.techexpressbd.com) এবং এটি সাইটের আইপি ঠিকানার সাথে মেলানো হয় এবং ডোমেনের অবস্থান সনাক্ত করতে কম্পিউটারগুলিকে সহযোগিতা করে।

dns

ডিএনস (ডোমেইন নেম সিস্টেম) কিভাবে কাজ করে?

যেমন 192.168.0.197 একটি আইপি। এভাবে প্রত্তেকটি ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হলে আপনি তাদের আইপি লিখে সার্চ বক্সে সার্চ করলে সাইট পেয়ে যাবেন। কিন্তু সমস্যা হলো আইপি যেহেতু ডিজিট সেহেতু মনে রাখা কস্টকর। উপরের আইপিটি আইপি ভার্সন 4 কিন্তু আইপি ভার্সন 6 এর একটি আইপি 2401:f40:1008:35e:4500:973f:b6df:25cf দেখতে এমন। এবার ভাবুন সাইটের ডোমেইন না থেকে যদি এমন সব আইপি মুখস্ত করা লাগতো তাহলে কেমন ঝামেলা হত।

এ সমস্যা সমাধানের জন্য ডিএনএস ব্যবহার করা হয়। এটা একটা সার্ভার। যা একটা ডিকশেনারির মত কাজ করে। আপনি যখন google.com লিখে সার্চ করেন তখন এটি DNS এ যায়। তারপরে এর আইপি খুজে বের করে এবং গুগলের সার্ভার থেকে আপনার জন্য ডেটা নিয়ে আসে।

যেসব কারণে DNS (ডোমেইন নেম সিস্টেম) বিভ্রাট হতে পারে :

১. ডিএনএস ক্যাশ ডাটা পরিবর্তন:

ডিএনএসের বিষণ শেষ পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের ভুল ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কোন ব্যবহারকারী একটি ওয়েব ব্রাউজারে “msn.com” লিখলো এবং তা আক্রমণকারীর দ্বারা নির্বাচিত একটি পৃষ্ঠা দ্বারা পরিবর্তন করা হল। যেহেতু ব্যবহারকারীরা সঠিক ডোমেন নাম টাইপ করছেন, সেহেতু তার পক্ষে বুঝতে পারা সম্ভব না যে সে ভুল ওয়েবসাইটটিতে ঢুকেছে। এটি আক্রমণকারীদের তথ্য পাচার সম্পর্কিত ফিশিং কৌশলগুলি ব্যবহার করার একটি নিখুঁত সুযোগ তৈরি করে। এছাড়াও ডিএনএসের বিষণ ক্যাশ আপোস এর মাধ্যমেও হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোন নেটওয়ার্ক রাউটারের ক্যাশে আপোস করা হয়, তবে যে কেউ এটি ব্যবহার করে প্রতারণামূলক ওয়েবসাইটের ভুল নির্দেশনা দেওয়া যেতে পারে। ভুল ডিএনএস রেকর্ডগুলি তখন প্রতিটি ব্যবহারকারীর মেশিনে ডিএনএস ক্যাশে অন্তর্ভুক্ত হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি বড় ডিএনএস সার্ভার আপোস করা যেতে পারে। এটি ইন্টারনেট সেবা সরবরাহকারীদের দ্বারা পরিচালিত ডিএনএস সার্ভারের ক্যাশেগুলিকে বিষাক্ত করতে পারে। যার প্রেক্ষিতে লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের ইন্টারনেট সেবা বিগ্নিত হতে পারে।

২. ডিএনএস Flood অ্যাটাক:

এটি ডিএনএস আক্রমণের অন্যতম প্রাথমিক ধরণ। এই ধরনের আক্রমনের ফলে ডিএনএস এর সেবা দেয়ার কার্যক্ষমতা কমে যায়। এই জাতীয় ডিএনএস বন্যার মূল লক্ষ্য হ’ল যাতে আপনার সার্ভারটি ওভারলোড করা যায় এবং এটি ডিএনএস এর অনুরোধগুলি সরবরাহ করা চালিয়ে যেতে না পারে কারণ সার্ভার এর সমস্ত কার্যক্ষমতা অপ্রয়োজনীয় অনুরোধগুলি সেবা প্রদানে ব্যস্ত থাকে।

৩. ডিএনএস হাইজ্যাক আক্রমণ:

যদিও ডিএনএসের স্পোফিং শব্দটি প্রায়শই ডিএনএস হাইজ্যাকের সাথে বিভ্রান্ত হয় কারণ উভয়ই স্থানীয় সিস্টেম স্তরে ঘটে থাকে কিন্তু তারা দুটি ভিন্ন ধরণের ডিএনএস আক্রমণ। বেশিরভাগ সময় ডিএনএসের স্পোফিং বা ক্যাশে বিষক্রিয়ার মধ্যে আপনার স্থানীয় ডিএনএস ক্যাশে মানগুলি ভুয়া তথ্য দিয়ে ওভাররাইটিংয়ের সাথে করে পরিবর্তন করা হয়ে থাকে যাতে আপনাকে দূষিত ওয়েবসাইটে পুনঃনির্দেশ করা যায়। অন্যদিকে, ডিএনএস হাইজ্যাকিং (এটি ডিএনএস পুনঃনির্দেশ হিসাবেও পরিচিত) এই গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম পরিষেবাটি হাইজ্যাক করার জন্য প্রায়শই ম্যালওয়্যার সংক্রমণ জড়িত। এই ক্ষেত্রে, স্থানীয় কম্পিউটারে হোস্ট করা ম্যালওয়্যারগুলি টিসিপি/আইপি কনফিগারেশনগুলিকে পরিবর্তন করতে পারে যাতে তারা কোন দূষিত ডিএনএস সার্ভারের দিকে নির্দেশ করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত ট্র্যাফিকটিকে ফিশিং ওয়েবসাইটে পুনঃনির্দেশিত করবে। এটি যেকোন ডিএনএস আক্রমণ চালানোর অন্যতম সহজ উপায়, কারণ এতে জটিল কৌশল জড়িত না। তদুপরি, এই ধরণের আক্রমণ পরিচালনা করতে প্রচুর স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

জেনে নিন ফেসবুক নাকি ইউটিউবে আয় বেশি?

Published

on

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেইসঙ্গে অনেকের কাছেই এটি অর্থ আয়ের একটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখন পেশাদারিভাবে ইউটিউব ও ফেসবুকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন। কোনো কোনো কনটেন্ট নির্মাতা ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা উপার্জন করছেন।

মূলত মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক ও ইউটিউব দুই জায়গা থেকেই ভালো টাকা আয় করা যায়। তবুও ক্রিয়েটরদের মধ্যে কেউ ফেসবুক, আবার কেউ ইউটিউবকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুকের থেকে বেশি পুরোনো ইউটিউব। এছাড়াও এখানে নানা বিষয়ের কনটেন্ট আপলোড হয়। যা নজর কাড়ে মানুষের। অন্যদিকে ইউটিউবে ভøগিং চ্যানেলের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

তবে এই দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে কোন জায়গা থেকে সব থেকে বেশি টাকা আয় করা যায় জানেন? ইউটিউব না ফেসবুক কে বেশি টাকা দেয়? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ ভিউয়ে ফেসবুকে ২৫০ থেকে ২৬০ ডলার আয় হয়ে থাকে। যেখানে ইউটিউবে ভিডিও অনুুযায়ী ২০০০ ডলারের বেশিও আয় করা যায়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইউটিউব এগিয়ে রয়েছে।

ফেসবুকে একাধিক মনিটাইজেশন টুল রয়েছে। যেমন- স্টার্স, ইন-ভিডিও পারচেস, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ইত্যাদি। অন্যদিকে ইউটিউবেও রয়েছে অসংখ্য মনিটাইজেশন টুল। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের অধীনে একাধিক উপায়ে টাকা উপার্জন করা যায়। যেমন – ইন-স্ট্রিম অ্যাড, স্পন্সরশিপ, সুপার চ্যাট ডোনেশন এবং চ্যানেল মেম্বারশিপ।

এক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব। কারণ ইউটিউবে এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইউটিউবে ডাটা ইউসেজও অনেক বেশি। প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ এমবি। যে কারণে ফেসবুকের থেকে মনিটাইজেসনের বিচারে এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব।

Continue Reading

Highlights

রিয়েলফিল ক্যামেরা ফিচারের পরিধি বাড়াবে গুগল

Published

on

google

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) নতুন ফটোগ্রাফি ফিচার চালু করতে কাজ করছে গুগল। নতুন এ ফিচার বা প্রযুক্তির উন্নয়নে কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছে কোম্পানিটি। এটি ব্যবহারকারীদের ছবির রেজল্যুশন বাড়ানোর পাশাপাশি এডিটিংয়ে সহায়তা করবে। খবর গিজচায়না।

পাঁচটি রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে গুগলের নতুন ফিচারটি কাজ করবে বলে জানা গেছে। অফিশিয়াল বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, রিয়েলফিল ডাউনলোড করা যাবে না-এমন এআই সফটওয়্যারে আঁকা ছবি নিয়ে কাজের সুবিধা দেবে। এ ছাড়া অনলাইনেও অনুরূপ সুবিধা থাকবে, যেটি ব্যবহার করে জেনারেটিভ মডেল তৈরি করা যাবে। মূলত ফিচারটি ব্যবহারকারীদের যেকোনো ছবি সহজে সম্পাদনার সুযোগ দেবে।

একটি গবেষণাপত্রের সূত্র ধরে রিয়েলফিলের এ প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছে। গবেষণাপত্রটির শিরোনাম রেফারেন্স ড্রাইভেন জেনারেশন ফর অথেনটিক ইমেজ কমপ্লিশন। এখানে একাধিক রেফারেন্স থেকে কীভাবে মূল ছবি এডিট করা হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে। গুগলের দাবি রেফারেন্সে থাকা ছবি ব্যবহার করে ফিচারটি অন্য অ্যাপের তুলনায় ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

প্রযুক্তিবিদদের মতে, এআইনির্ভর ফটোগ্রাফি টুল হিসেবে রিয়েলফিল আকর্ষণীয় হলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত বেশকিছু ইমেজ জেনারেশন মডেলের তুলনায় এটি ধীরগতির। পিক্সেল স্মার্টফোন লাইনআপে নাইট সাইট মোডের মতো অ্যাডভান্সড কম্পিউট্যাশনাল ফটোগ্রাফি ফিচার যুক্ত করেছে গুগল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবিষ্যতে পিক্সেল ডিভাইস বা গুগল ফটোজ অ্যাপে চারটি যুক্ত করা হবে। যদি এটি যুক্ত হয় তখন ব্যবহারকারীরা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় সহজে ছবি সম্পাদনা করতে পারবেন।

Continue Reading

Highlights

যেভাবে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট নিরাপদ রাখবেন

Published

on

whatsapp

টেক এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। দিন দিন বাড়ছে এর ব্যবহার। তবে হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট এবং ছবি ও ফাইল কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন তা জানেন না অনেকেই। এর ফলে সাইবার অপরাধীদের ব্ল্যাকমেইলিং, ফিশিং ও বিভিন্ন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন কেউ কেউ। তবে কয়েকটি নিরাপত্তা ফিচার ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ: হোয়াটসঅ্যাপে ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ অপশন রয়েছে। যদি মনে হয় আপনার হোয়াটসঅ্যাপের ওপর কেউ নজরদারি চালাচ্ছে তা হলে এই অপশন অন করে দিন। এই অপশন চালু থাকলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর মেসেজ ডিসঅ্যাপিয়ার বা মুছে যাবে।

অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন: হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট নিরাপত্তার দ্বিতীয় টিপস হলো অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন। সমস্ত চ্যাটে এই ফিচার অন করে রাখুন। এর সুবিধা হলো আপনি যাকে টেক্সট পাঠাচ্ছেন তিনি আর আপনি ছাড়া অন্য কেউ মেসেজ দেখতে পাবে না। অবৈধভাবে ঢুকে কেউ কোনো তথ্য দেখতে বা অ্যাকসেস করতে পারবে না। তাই ফাঁস হওয়ার ঝুঁকিও থাকবে না।

স্প্যাম কল বন্ধ করা: স্প্যাম কলের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন কেউ কেউ। এই কল বন্ধ করার উপায় রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ সেটিংসে গিয়ে সাইলেন্স আননোন কল অপশন অন করে দিন। এতে অপরিচিত ও স্প্যাম কল এড়িয়ে যেতে পারবেন।

চ্যাট লক: চ্যাট লক অপশনটিও বেশ কার্যকর। যদি মনে হয় আপনার ডিভাইস হ্যাক হয়েছে বা সাইবার হামলার কবলে পড়েছেন, তা হলে নির্দিষ্ট কোনো চ্যাট লক করে রাখতে পারেন। পাসওয়ার্ড বা বায়োমেট্রিক দিয়ে লক করা যায় চ্যাট। ওপরের এই ফিচারগুলো আপনার হোয়াটসঅ্যাপকে সুরক্ষিত রাখবে। এমনকি কোনো ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়া ঠেকাতে ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading

Trending