Connect with us

Telecom

অ্যাপ রিচার্জ করলেই ১০০ পার্সেন্ট ক্যাশ ব্যাক

Published

on

নিউজ ডেস্ক:
অ্যাপ দিয়ে মোবাইল রিচার্জ করলে ১০০ পার্সেন্ট পর্যন্ত ব্যাক দিচ্ছে বিকাশ। অ্যাপে প্রদর্শিত তথ্যে বলা হয়েছে, ‘বিকাশ অ্যাপে নিজের নম্বরে ১২ টাকা রিচার্জ করলে ১০০ পার্সেন্ট ক্যাশ ব্যাক।’

বিকাশ তাদের অ্যাপে পরিবর্তন আনার পর সময়ে সময়ে নানা ধরনের অফার দিচ্ছে। ইতিপূর্বে নতুন অ্যাপ ডাউনলোড করলে ১০০ টাকা বোনাস, রিচার্জ করলে ২০০ পার্সেন্ট বোনাস ঘোষণা করেছিল প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে বিকাশ অ্যাপের ওটিপি কোড নিয়ে গ্রাহকদের প্রতারণার দীর্ঘদিনের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে এবার নতুন নিয়ম চালু করছে সংস্থাটি।

নতনু পদ্ধতির ফলে একাধিক ফোন থেকে বিকাশের একই ব্যবহারকারীর আইডি লগইন বন্ধ করা যাবে না। একটি একাউন্ট থেকেই এখন ট্রানজেকশন করতে পারবেন। ওটিপি পিন নাম্বার দিয়েও আর অন্য ডিভাইস থেকে একাউন্ট চালাতে পারবেন না।

এর ফলে প্রতারকরা আপনার ওটিপি পিন নিয়ে আপনার একাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে পারবে না।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Tech News

ট্যুরিস্ট সিম এবার বাংলাদেশে

Published

on

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশে ট্যুরিস্ট সিম চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সম্প্রতি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিটিআরসি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ট্যুরিস্টদের জন্য ৭, ১৫, ৩০ দিন মেয়াদে এ সিম কার্ডগুলো সচল থাকবে। বাংলাদেশের যেকোনো স্থল, নৌ ও বিমানবন্দর থেকে এ সিম সংগ্রহ করা যাবে। ট্যুরিস্ট সিম একটি নির্দিষ্ট ব্লকের বাইরে দিতে পারবে না অপারেটরগুলো। এই সিম রূপান্তর করা যাবে না। যদি দীর্ঘমেয়াদী সিম প্রয়োজন হয় তবে বিডার ওয়ার্ক পারমিটের মাধ্যমে নিতে পারবে। বিদেশি বা পর্যটকদের জন্য ভিন্ন অফারও প্যাকেজ দিতে পারবে অপারেটরগুলো।

তবে দেশে ও বিদেশে ডেটা, ভয়েস, এসএমএস ও কম্বো প্যাকেজের বাইরে আর কোনো প্যাকেজ অফার করতে পারবে না। সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্মে এ সিম আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হবে। একটি পাসপোর্টে সর্বোচ্চ দুটি সিম নিবন্ধন করা যাবে। থাকবে ই-সিম সুবিধাও।

Continue Reading

Highlights

রাজধানীর ২০০ স্থানে চালু হচ্ছে ফাইভ-জি

Published

on

দেশে চালু হচ্ছে ফাইভ-জি মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা। রাজধানীর প্রায় ২০০ টি স্থানে এ সেবা পাওয়া যাবে। এ পরিষেবা দেয়ার জন্য একটি প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। ফাইভ-জি সেবা দিতে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান টেলিটককে ২ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা দেয়ার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকের পর পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত ও অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন আল রশীদ সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

একনেকে অনুমোদিত ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ‘গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং ৫-জি সেবা প্রদানে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন’ প্রকল্প বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঢাকার দুই শ’ স্থানে ফাইভ-জি হবে। এজন্য ভিন্ন একটি প্রকল্পের প্রস্তাব পেয়েছি। ৬ আগস্ট প্রকল্প প্রস্তাবনা আমাদের কাছে এসেছে। আমরা সেটা যাচাই করছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ঢাকায় এ সেবা চালু হবে।

শুরুতে ঢাকার কোন কোন এলাকায় ৫-জি চালু হবে সেই বিষয়ে কমিশন সদস্য বিস্তারিত জানাননি।

মামুন আল রশীদ বলেন, প্রকল্পের নাম দেখে কারও মনে হতে পারে এই প্রকল্প শেষ হলেই ৫-জি সেবা চালু হবে। বিষয়টি তা নয়। বিদ্যমান ২-জি, ৩-জি ও ৪-জি’র যে অবকাঠামো আছে সেটার মধ্যে কাজ করা হবে। ৫-জিতে যাওয়ার যে টার্গেট আছে সেটার প্রস্তুতি হিসেবে এ প্রকল্পে আমরা কিছু যন্ত্রপাতি স্থাপন করব।

Continue Reading

Highlights

২২০৪ কোটি টাকা সরকারি বিনিয়োগ পাচ্ছে টেলিটক

Published

on

নিউজ ডেস্ক:
নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নে সরকারের পক্ষ থেকে দুই হাজার ২০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ পেতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়াত্ব টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টেলিটক। মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ‘গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও ৫জি সেবা প্রদানে নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন প্রকল্পের অনুমোদন করা হয়েছে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় পুরো অর্থই জোগান দেয়া হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। সরকারের পক্ষ থেকে দুই হাজার ২০৪ কোটি টাকা এবং মাত্র ৬০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা দেবে টেলিটক। চলতি বছরে শুরু হয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এর বাস্তবায়ন কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

জানা যায়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে প্রতিষ্ঠাকাল থেকে লস গুনতে থাকা এই টেলিকম অপারেটর। চলতি বছর থেকেই শুরু হতে যাওয়া এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা আছে। নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নের এই প্রকল্পের আওতায় নতুন তিন হাজার বিটিএস সাইট তৈরি, রুম, টাওয়ার, লক ইত্যাদি নির্মাণ করা হবে।

এছাড়াও টেলিটকের নিজস্ব ৫০০ টাওয়ার ও দুই হাজার ৫০০ টাওয়ার শেয়ারিং সাইট প্রস্তুত করা হবে। আর সেবা সক্ষমতা বাড়াতে থ্রিজি ও ফোরজির বিদ্যমান দুই হাজার সাইটের যন্ত্রপাতির ধারণক্ষমতা বাড়ানো হবে। ফিক্সড ওয়্যারলেস এক্সেস (এফডব্লিউএ) প্রযুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে ঢাকার বাইরে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিস-আদালতে ইন্টারনেট সেবা বাড়াতে পাঁচ হাজার এফডব্লিউএ ডিভাইস স্থাপন করা হবে।

তবে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ব্যপারে টেলিটকের এক কর্মকর্তা বলেন, এই প্রকল্পে আমাদের বিদ্যমান যে অবকাঠামো আছে সেই টুজি, থ্রিজির উন্নয়নে কিছু কাজ করা হবে। আর সামনে যেহেতু ফাইভজিতে যাওয়ার টার্গেট আছে, ফাইভজির প্রস্তুতি হিসেবে আমরা কিছু ইকুইপমেন্ট বসাবো। ঢাকার ২০০ জায়গায় ফাইভজি চালু করার জন্য ভিন্ন প্রকল্প প্রস্তাব পেয়েছে, সেটা প্রসেস করছি। সেই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আমরা ফাইভজি পাব।

Continue Reading

Trending